রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব পালনে নতুন রাষ্ট্রপতির সাফল্য কামনা করেছেন তিনি। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ঢাকার রুশ দূতাবাসের বরাতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এ তথ্য জানিয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাঠানো অভিনন্দন বার্তায় পুতিন আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান। অভিনন্দন বার্তায় রুশ প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনার পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে তার ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের সাফল্য কামনা করেন। এর আগে ২০ আগস্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুলকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এই অভিনন্দন বার্তা বাংলাদেশ ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিজভীই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, সময়ের সঙ্গে তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে ঢাকার পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ একাধিক বিষয়ে ভারতের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে, অন্যদিকে নয়াদিল্লিও আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক সমতার’ ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই পরিবর্তিত কূটনৈতিক সমীকরণ।প্রতিবেদনটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সেখান থেকে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অন্যতম প্রধান অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ চাইছে, ভারত যেন তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শেখ হাসিনার কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না দেয়।ঢাকার অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে। পাশাপাশি শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের দাবিও জানিয়েছে ঢাকা। সরকারের যুক্তি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে এসব বিষয়ে অগ্রগতি জরুরি।এদিকে শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের অবস্থানও আগের তুলনায় সতর্ক হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন এবং আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে। ভারত অবশ্য স্পষ্ট করেছে, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে নয়াদিল্লি একমত নয়।তবে বাংলাদেশের জন্য ভারতকে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে চলার সুযোগও সীমিত। অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য, পানিবণ্টন এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। ফলে চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এখন দুই দেশের কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।এই বাস্তবতায় নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতাও তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দুই দেশের নেতৃত্ব একসঙ্গে বসলে অনেক সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। ভারতও তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও এই সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একদিকে ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে ভারতবিরোধী রাজনৈতিক চাপও সামলাতে হচ্ছে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুবাশ্বার হাসানের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তারেক রহমানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে শুধু রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য ভারতনীতিকে প্রতিক্রিয়াশীল পথে নেওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ঢাকার জন্য যেমন সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতাও জরুরি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর এবং গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ এই তিনটি ইস্যু আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে আবেগ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ, সমতা ও পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি।
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, সময়ের সঙ্গে তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে ঢাকার পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ একাধিক বিষয়ে ভারতের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে, অন্যদিকে নয়াদিল্লিও আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক সমতার’ ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই পরিবর্তিত কূটনৈতিক সমীকরণ।প্রতিবেদনটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সেখান থেকে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অন্যতম প্রধান অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ চাইছে, ভারত যেন তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শেখ হাসিনার কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না দেয়।ঢাকার অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে। পাশাপাশি শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের দাবিও জানিয়েছে ঢাকা। সরকারের যুক্তি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে এসব বিষয়ে অগ্রগতি জরুরি।এদিকে শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের অবস্থানও আগের তুলনায় সতর্ক হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন এবং আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে। ভারত অবশ্য স্পষ্ট করেছে, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে নয়াদিল্লি একমত নয়।তবে বাংলাদেশের জন্য ভারতকে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে চলার সুযোগও সীমিত। অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য, পানিবণ্টন এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। ফলে চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এখন দুই দেশের কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।এই বাস্তবতায় নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতাও তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দুই দেশের নেতৃত্ব একসঙ্গে বসলে অনেক সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। ভারতও তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও এই সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একদিকে ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে ভারতবিরোধী রাজনৈতিক চাপও সামলাতে হচ্ছে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুবাশ্বার হাসানের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তারেক রহমানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে শুধু রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য ভারতনীতিকে প্রতিক্রিয়াশীল পথে নেওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ঢাকার জন্য যেমন সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতাও জরুরি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর এবং গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ এই তিনটি ইস্যু আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে আবেগ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ, সমতা ও পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি।
ডনের প্রতিবেদন / হাসিনা ও পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত ভারত সফর করবেন না তারেক
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, সময়ের সঙ্গে তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একদিকে ঢাকার পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ একাধিক বিষয়ে ভারতের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে, অন্যদিকে নয়াদিল্লিও আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দুই দেশের সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক সমতার’ ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই পরিবর্তিত কূটনৈতিক সমীকরণ।প্রতিবেদনটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপড়েন তৈরি হয়। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সেখান থেকে তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্কের অন্যতম প্রধান অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ চাইছে, ভারত যেন তার ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শেখ হাসিনার কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না দেয়।ঢাকার অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে। পাশাপাশি শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের দাবিও জানিয়েছে ঢাকা। সরকারের যুক্তি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে এসব বিষয়ে অগ্রগতি জরুরি।এদিকে শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারতের অবস্থানও আগের তুলনায় সতর্ক হয়েছে। গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন এবং আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে। ভারত অবশ্য স্পষ্ট করেছে, ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না এবং বাংলাদেশ সরকার সম্পর্কে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে নয়াদিল্লি একমত নয়।তবে বাংলাদেশের জন্য ভারতকে পুরোপুরি পাশ কাটিয়ে চলার সুযোগও সীমিত। অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য, পানিবণ্টন এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। ফলে চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ এখন দুই দেশের কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।এই বাস্তবতায় নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতাও তাৎপর্যপূর্ণ। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দুই দেশের নেতৃত্ব একসঙ্গে বসলে অনেক সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হতে পারে। ভারতও তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানাতে আগ্রহ দেখাচ্ছে।তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিও এই সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একদিকে ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে ভারতবিরোধী রাজনৈতিক চাপও সামলাতে হচ্ছে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক মুবাশ্বার হাসানের বক্তব্য অনুযায়ী, ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তারেক রহমানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে শুধু রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য ভারতনীতিকে প্রতিক্রিয়াশীল পথে নেওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।সব মিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ঢাকার জন্য যেমন সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভারতের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতাও জরুরি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর এবং গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ এই তিনটি ইস্যু আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হতে পারে আবেগ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ, সমতা ও পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি।
বিশ্বজুড়ে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী ছড়ানোর আশঙ্কা
ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট
২৪ ঘণ্টায় নতুন ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি
নড়াইল-১ আসনে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের বিজয়ে জনসাধারণকে অভিনন্দন জানালেন নাজমুল হক প্রিন্স
মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনকে অভিনন্দন জানালেন সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল হক প্রিন্স
সংবর্ধনার চেয়ে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ: ডা. টিপু
চুয়াডাঙ্গায় "ডিইএব" এর জেলা শাখার অভিষেক
শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন নওগাঁ-৪ এর এমপি ডা. টিপু
মানবিকতা, নেতৃত্ব ও সহমর্মিতার প্রতীক: সিমি কিবরিয়ার যাত্রা
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে কটূক্তি: শ্রমিক দল সভাপতি বরখাস্ত
বাইকের সেই তরুণীর সন্ধান মিলেছে, যা জানালেন তিনি
এবার বিশ্বের সব দেশকে সতর্ক করল ইরান
নবীগঞ্জ মেলায় জনদুর্ভোগ, নিরাপত্তা ও নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ক্ষোভ
নেতানিয়াহুকে ‘নরকে পাঠানোর’ হুমকি ইরানের
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে ৩৩৮ এজেন্সি, বিনা খরচে যাবেন ১০ হাজার
মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিক্রিয়া
অবৈধ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পাঁচ দফা দাবি, গুলশানে ‘গণজাগরণ সমাবেশ’
বোয়েসেলের মাধ্যমে বিনামূল্যে মালয়েশিয়া যাবেন ১০ হাজার কর্মী
ছয় মাসের ইরান যুদ্ধের ৬ পরিণতি
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সহযোগিতা না করতে বিশ্বের সব দেশের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। / এবার বিশ্বের সব দেশকে সতর্ক করল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সহযোগিতা না করতে বিশ্বের সব দেশের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরানের বক্তব্য, কোনো দেশ মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অংশ নিলে সেটিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বেআইনি অর্থনৈতিক চাপের সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ অবস্থান জানায়। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে একে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ এবং ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছে।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে অন্য কোনো দেশের অংশগ্রহণ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ওপর আরেকটি রাষ্ট্রের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার সহযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হবে। একই সঙ্গে এটি বৈধ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত করবে বলে দাবি করেছে তেহরান।তেহরানের দাবি, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং মানবাধিকারের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ কারণে বিশ্বের দেশগুলোর এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা থেকে বিরত থাকা উচিত বলে জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গত ২৪ আগস্ট এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এর আওতায় ইরানের আন্তর্জাতিক আর্থিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগের ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি তেহরানের সঙ্গে ব্যবসায় যুক্ত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞার পরিধি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।এর আগেও ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মহসেন রেজাই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অভিযানে অন্য দেশগুলোকে যোগ না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপে অংশ নেওয়া দেশকে তেহরান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় নিজেদের হাতে থাকা সব সক্ষমতা ব্যবহার করবে তেহরান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আইনের শাসন ও জাতিসংঘ সনদের নীতি রক্ষায় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক ও অর্থনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে তেহরানের এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কেও নতুন চাপ তৈরির আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে যেসব দেশের সঙ্গে ইরানের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা তাদের সামনে নতুন কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক হিসাব তৈরি করতে পারে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মেজর জেনারেল মহসেন রেজাই। / নেতানিয়াহুকে ‘নরকে পাঠানোর’ হুমকি ইরানের
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। / মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিক্রিয়া
ইরানকে ঘিরে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। / ছয় মাসের ইরান যুদ্ধের ৬ পরিণতি
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় নতুন করে সরকারি রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং ৩১২টি সাব-এজেন্সির নাম প্রকাশ করা হয়েছে। / মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে আরও এক এজেন্সিসহ এবার ৩১২ সাব-এজেন্সির নাম প্রকাশ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় নতুন করে সরকারি রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং ৩১২টি সাব-এজেন্সির নাম প্রকাশ করা হয়েছে। / মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে আরও এক এজেন্সিসহ এবার ৩১২ সাব-এজেন্সির নাম প্রকাশ
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
এভিয়েশন নিরাপত্তায় দক্ষতা বাড়াতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডিএফটি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
এভিয়েশন নিরাপত্তায় দক্ষতা বাড়াতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ডিএফটি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): দেশবাসীকে দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশের শুভেচ্ছা / পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ, শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): দেশবাসীকে দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশের শুভেচ্ছা / পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ, শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান
দেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবারও পুনর্বাসিত হতে না পারে এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। / ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর
দেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবারও পুনর্বাসিত হতে না পারে এবং ভবিষ্যতে কেউ যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। / ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকাতে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। / মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। / মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার তিনটি কারণ জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ৩ কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার তিনটি কারণ জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। / রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ৩ কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা
মধ্যনগর উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক কাদির
শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার আহ্বান সাকিলা ফারজানা এমপির
চুয়াডাঙ্গার নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান‘এলিট স্কলার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপদেষ্টা পরিষদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
গোরারাই ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে বাউবির ৪০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি