বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন করে তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি শুরু করার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবসম্মত, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কার নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ মে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্ক-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান আইএমএফ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঠামোগত সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আইএমএফ কর্মসূচি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে দেশীয় বাস্তবতা, রাজনৈতিক অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার সংস্কারের পক্ষে থাকলেও বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে এগোনোর কৌশলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে নতুন তিন বছর মেয়াদি কর্মসূচির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বৈঠকে নাইজেল ক্লার্ক বাংলাদেশের নতুন সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের ঘনিষ্ঠ ও গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দ্রুত নতুন কর্মসূচির কাঠামো তৈরির কাজ শুরুর বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়।
অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনার বিষয়ও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে সরকার ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন করে তিন বছর মেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি শুরু করার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবসম্মত, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কার নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ মে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্ক-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, চলমান আইএমএফ কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঠামোগত সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তবে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আইএমএফ কর্মসূচি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে দেশীয় বাস্তবতা, রাজনৈতিক অর্থনীতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার সংস্কারের পক্ষে থাকলেও বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে এগোনোর কৌশলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে নতুন তিন বছর মেয়াদি কর্মসূচির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বৈঠকে নাইজেল ক্লার্ক বাংলাদেশের নতুন সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের ঘনিষ্ঠ ও গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে দ্রুত নতুন কর্মসূচির কাঠামো তৈরির কাজ শুরুর বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়।
অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বসন্তকালীন বৈঠকের আলোচনার বিষয়ও তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওই বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতে সরকার ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে।

আপনার মতামত লিখুন