দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। আর মাত্র দুই দিন পরই কোরবানির ঈদ। প্রতিবছর এ সময় জমজমাট থাকার কথা কামারপট্টি। কিন্তু এবারে ঈদ ঘনিয়ে এলেও আশানুরূপ বিক্রি নেই নতুন দা, বটি, ছুরি আর চাপাতির। উৎপাদন খরচ বেড়েছে, কমেছে ক্রেতা- এমনটাই বলছেন কর্মকাররা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কামারপট্টি ঘুরে দেখা যায়, কামারশালার সামনে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কোরবানির বিভিন্ন সরঞ্জাম। কোথাও তৈরি হচ্ছে নতুন দা-বটি, কোথাও আবার পুরনো সরঞ্জামে দেওয়া হচ্ছে সান। আগুনের তাপে, হাতুড়ির আঘাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকাররা।
কর্মকাররা জানান, সাধারণত ঈদের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে থেকেই বেচাকেনা শুরু হয়। তবে এবার ঈদের এক সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয়নি আশানুরূপ। কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের তুলনায় বেড়েছে উৎপাদন খরচও।
শ্রী শচিন রায় নামে এক কর্মকার বলেন, সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি। এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না।
কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আবুল হোসেন বলেন, বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কোরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রায় শতাধিক পরিবার জড়িত এই কামার পেশার সঙ্গে। তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাঁচামালের দাম বাড়ায় অনেকের পক্ষেই টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে বাপ-দাদার পুরনো এই পেশা।
ঈদ সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে বিক্রি বাড়ার আশায় রয়েছেন দেবীগঞ্জের কর্মকাররা। এখন দেখার বিষয়, শেষ সময়ে জমে ওঠে কিনা কামারপট্টির ঈদের বাজার।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। আর মাত্র দুই দিন পরই কোরবানির ঈদ। প্রতিবছর এ সময় জমজমাট থাকার কথা কামারপট্টি। কিন্তু এবারে ঈদ ঘনিয়ে এলেও আশানুরূপ বিক্রি নেই নতুন দা, বটি, ছুরি আর চাপাতির। উৎপাদন খরচ বেড়েছে, কমেছে ক্রেতা- এমনটাই বলছেন কর্মকাররা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কামারপট্টি ঘুরে দেখা যায়, কামারশালার সামনে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কোরবানির বিভিন্ন সরঞ্জাম। কোথাও তৈরি হচ্ছে নতুন দা-বটি, কোথাও আবার পুরনো সরঞ্জামে দেওয়া হচ্ছে সান। আগুনের তাপে, হাতুড়ির আঘাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকাররা।
কর্মকাররা জানান, সাধারণত ঈদের ১৫ থেকে ২০ দিন আগে থেকেই বেচাকেনা শুরু হয়। তবে এবার ঈদের এক সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয়নি আশানুরূপ। কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের তুলনায় বেড়েছে উৎপাদন খরচও।
শ্রী শচিন রায় নামে এক কর্মকার বলেন, সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি। এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না।
কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আবুল হোসেন বলেন, বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কোরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রায় শতাধিক পরিবার জড়িত এই কামার পেশার সঙ্গে। তবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাঁচামালের দাম বাড়ায় অনেকের পক্ষেই টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে বাপ-দাদার পুরনো এই পেশা।
ঈদ সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে বিক্রি বাড়ার আশায় রয়েছেন দেবীগঞ্জের কর্মকাররা। এখন দেখার বিষয়, শেষ সময়ে জমে ওঠে কিনা কামারপট্টির ঈদের বাজার।

আপনার মতামত লিখুন