পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী মেহেদী উৎসব। ঈদুল আযহাকে ঘিরে আয়োজিত এ উৎসব স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও সাড়া ফেলেছে।
বুধবার (২৭ মে) সকালে দেবীগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য ছিল নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, সম্মান ও অধিকার বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আয়োজকরা জানান, ঈদের আনন্দঘন পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দেবীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও তরুণীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রায় ২০ জন মেহেদী শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। সারাদিনে পাঁচ শতাধিক নারী ও শিশু মেহেদির রঙে নিজেদের হাত রাঙান। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
মেহেদী শিল্পী রাহা মেহজাবিন বলেন, “প্রথমবারের মতো এমন একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনে অংশ নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি হওয়া উচিত।”
এক শিক্ষার্থী জানান, “ঈদের আগের আনন্দকে এই আয়োজন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সবাই মিলে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি।”
আয়োজকদের অন্যতম ওয়াসিস আলম বলেন, “নারী ও শিশুদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সমাজে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতেই আমাদের এই উদ্যোগ। নারীদের অংশগ্রহণমূলক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি করে।”
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ১০ জন সেরা মেহেদী ডিজাইনারকে পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী মেহেদী উৎসব। ঈদুল আযহাকে ঘিরে আয়োজিত এ উৎসব স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও সাড়া ফেলেছে।
বুধবার (২৭ মে) সকালে দেবীগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য ছিল নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, সম্মান ও অধিকার বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আয়োজকরা জানান, ঈদের আনন্দঘন পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দেবীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও তরুণীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রায় ২০ জন মেহেদী শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। সারাদিনে পাঁচ শতাধিক নারী ও শিশু মেহেদির রঙে নিজেদের হাত রাঙান। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
মেহেদী শিল্পী রাহা মেহজাবিন বলেন, “প্রথমবারের মতো এমন একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনে অংশ নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বেশি হওয়া উচিত।”
এক শিক্ষার্থী জানান, “ঈদের আগের আনন্দকে এই আয়োজন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সবাই মিলে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছি।”
আয়োজকদের অন্যতম ওয়াসিস আলম বলেন, “নারী ও শিশুদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সমাজে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতেই আমাদের এই উদ্যোগ। নারীদের অংশগ্রহণমূলক আয়োজন সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি করে।”
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ১০ জন সেরা মেহেদী ডিজাইনারকে পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

আপনার মতামত লিখুন