পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুই দিন বাকি। এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি অধিকাংশ অফিস-আদালতে ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। নিরাপদ ও তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক ভ্রমণের আশায় অনেকের প্রথম পছন্দ ট্রেন। ফলে কয়েকদিন ধরেই ব্যস্ত সময় পার করছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। মঙ্গলবার সেখানে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রীরা রাজধানীর প্রধান রেলস্টেশন কমলাপুরে জড়ো হতে থাকেন। পরিবার-পরিজন, শিশু সন্তান ও প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে ট্রেন ধরতে আসা মানুষের ভিড়ে প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন এলাকা সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও জমজমাট হয়ে ওঠে।
টিকিট না পেয়েও অনেককে বাড়ি ফেরার আশায় স্টেশনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কয়েকটি ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে কেউ কেউ ছাদে উঠেও যাত্রা করেন। এতে ঝুঁকি থাকলেও ঈদে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর আকাঙ্ক্ষাই যেন বড় হয়ে উঠেছে তাদের কাছে।
স্টেশনজুড়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, আনসার, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। স্টেশনের প্রবেশপথ ও প্ল্যাটফর্ম এলাকায় তল্লাশি ও নজরদারি জোরদার করা হয়।রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণ সময় ছাদ বা বাম্পারে ভ্রমণ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকে কর্তৃপক্ষ। তবে ঈদযাত্রায় যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, “এক হাজার আসনের বিপরীতে কয়েক হাজার যাত্রী স্টেশনে উপস্থিত হচ্ছেন। অধিকাংশই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি ফিরছেন তারা।”
স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মুখে ছিল বাড়ি ফেরার আনন্দের ছাপ। কেউ প্ল্যাটফর্মে বসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করছেন, কেউ আবার শিশু সন্তানকে সামলাতে ব্যস্ত। শিশুদের মাঝেও ছিল বাড়ি যাওয়ার উচ্ছ্বাস।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ২০টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে গেছে। সারাদিনে মোট ৬৮টি ট্রেন ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে। অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ছেড়ে গেলেও কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে ছাড়ায় যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা দেরিতে ঢাকা ছাড়ে। এছাড়া পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস সকাল সোয়া ১০টায় ছাড়ার কথা থাকলেও পরে সেটির নতুন সময় নির্ধারণ করা হয় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুই দিন বাকি। এরই মধ্যে সরকারি-বেসরকারি অধিকাংশ অফিস-আদালতে ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। নিরাপদ ও তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক ভ্রমণের আশায় অনেকের প্রথম পছন্দ ট্রেন। ফলে কয়েকদিন ধরেই ব্যস্ত সময় পার করছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন। মঙ্গলবার সেখানে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রীরা রাজধানীর প্রধান রেলস্টেশন কমলাপুরে জড়ো হতে থাকেন। পরিবার-পরিজন, শিশু সন্তান ও প্রয়োজনীয় মালপত্র নিয়ে ট্রেন ধরতে আসা মানুষের ভিড়ে প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন এলাকা সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও জমজমাট হয়ে ওঠে।
টিকিট না পেয়েও অনেককে বাড়ি ফেরার আশায় স্টেশনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। কয়েকটি ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে কেউ কেউ ছাদে উঠেও যাত্রা করেন। এতে ঝুঁকি থাকলেও ঈদে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর আকাঙ্ক্ষাই যেন বড় হয়ে উঠেছে তাদের কাছে।
স্টেশনজুড়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, আনসার, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সরব উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। স্টেশনের প্রবেশপথ ও প্ল্যাটফর্ম এলাকায় তল্লাশি ও নজরদারি জোরদার করা হয়।রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণ সময় ছাদ বা বাম্পারে ভ্রমণ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে থাকে কর্তৃপক্ষ। তবে ঈদযাত্রায় যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, “এক হাজার আসনের বিপরীতে কয়েক হাজার যাত্রী স্টেশনে উপস্থিত হচ্ছেন। অধিকাংশই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি ফিরছেন তারা।”
স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মুখে ছিল বাড়ি ফেরার আনন্দের ছাপ। কেউ প্ল্যাটফর্মে বসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গল্প করছেন, কেউ আবার শিশু সন্তানকে সামলাতে ব্যস্ত। শিশুদের মাঝেও ছিল বাড়ি যাওয়ার উচ্ছ্বাস।
স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ২০টি ট্রেন কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে গেছে। সারাদিনে মোট ৬৮টি ট্রেন ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে। অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ছেড়ে গেলেও কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে ছাড়ায় যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা দেরিতে ঢাকা ছাড়ে। এছাড়া পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস সকাল সোয়া ১০টায় ছাড়ার কথা থাকলেও পরে সেটির নতুন সময় নির্ধারণ করা হয় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন