ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাপড় সদরদি রেল কোচিং এলাকার অস্থায়ী বিশাল গরুর হাটে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশি-বিদেশি জাতের গরু নিয়ে আসছেন খামারিরা। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে এই হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
স্থানীয়দের মতে, হাটটিতে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরুর ব্যাপক সমাহার দেখা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা খামারিরা তাদের গরু নিয়ে হাটে অবস্থান করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা ও দরদাম।
হাটে গরু বিক্রি করতে আসা খামারি আব্দুল করিম বলেন, “এবার হাটে গরুর সংখ্যা অনেক বেশি। ক্রেতারাও আসতে শুরু করেছে। আশা করছি ঈদের শেষ সময়ে ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারবো।”
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, “হাটে বিভিন্ন জাতের গরু পাওয়া যাচ্ছে। দাম একটু বেশি মনে হলেও পছন্দমতো গরু কেনার সুযোগ রয়েছে।”
হাট পরিচালনা কমিটির এক সদস্য জানান, “ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন।”
এদিকে, হাটে আগত মানুষের নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র্যাব-১০ সদস্যরা নজরদারি করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাপড় সদরদি রেল কোচিং এলাকার অস্থায়ী বিশাল গরুর হাটে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে দেশি-বিদেশি জাতের গরু নিয়ে আসছেন খামারিরা। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে এই হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
স্থানীয়দের মতে, হাটটিতে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরুর ব্যাপক সমাহার দেখা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা খামারিরা তাদের গরু নিয়ে হাটে অবস্থান করছেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা ও দরদাম।
হাটে গরু বিক্রি করতে আসা খামারি আব্দুল করিম বলেন, “এবার হাটে গরুর সংখ্যা অনেক বেশি। ক্রেতারাও আসতে শুরু করেছে। আশা করছি ঈদের শেষ সময়ে ভালো দামে গরু বিক্রি করতে পারবো।”
ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, “হাটে বিভিন্ন জাতের গরু পাওয়া যাচ্ছে। দাম একটু বেশি মনে হলেও পছন্দমতো গরু কেনার সুযোগ রয়েছে।”
হাট পরিচালনা কমিটির এক সদস্য জানান, “ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও মাঠে রয়েছেন।”
এদিকে, হাটে আগত মানুষের নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র্যাব-১০ সদস্যরা নজরদারি করছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন