ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্যতম বড় ও ঐতিহ্যবাহী অস্থায়ী পশুর হাট কমলাপুরে এখন ধীরে ধীরে জমে উঠছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। মুগদা বিশ্বরোড, মানিকনগর, টিটিপাড়া স্টেডিয়াম এলাকা থেকে শুরু করে আন্ডারপাস হয়ে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত এই হাটে দেশের নানা প্রান্ত থেকে গরু এনে তুলেছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। এখনো নতুন করে ট্রাকে করে পশু আসছে নিয়মিত। রেলপথেও এবার বিপুল সংখ্যক গরু এসেছে কমলাপুরে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, যশোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও ট্রেনে করে পশু নিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। পবিত্র ঈদুল আজহা আর মাত্র কয়েক দিন দূরে থাকলেও শুরুতে ক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। তবে সময় যত এগোচ্ছে, হাটে ভিড় ততই বাড়ছে। বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে ক্রেতাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের একেবারে শেষ দিকে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হবে। হাট ঘুরে দেখা যায়, দেশি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি হলেও বড় ও ছোট গরুও বিক্রি হচ্ছে। দাম নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে এখনই কেনাকাটা সারছেন। একজন ক্রেতা বলেন, এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তাই এখনও কেনা হয়নি, তবে দ্রুতই কিনে ফেলতে হবে। খামারিদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবার বাজারে দেশি পশুর ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সীমান্তবর্তী হাট বন্ধ থাকা এবং বাইরে থেকে পশু আসা কমে যাওয়ায় বাজারে দেশীয় গরুর ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু বড় খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহেও অতিরিক্ত চাপ নেই। ময়মনসিংহ থেকে ১৫টি গরু নিয়ে আসা এক খামারি জানান, তিনি ইতোমধ্যে একটি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। বাকিগুলো নিয়ে ভালো দামের অপেক্ষায় আছেন। হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং জাল টাকা শনাক্তে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও জোরদার করা হয়েছে। হাসিলঘরের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানান, বর্তমানে গরুপ্রতি ৫ শতাংশ হারে হাসিল নেওয়া হচ্ছে। সকালে ক্রেতা কিছুটা কম থাকলেও বিকেলের দিকে ভিড় বাড়ছে। সব মিলিয়ে আগামী এক-দুই দিনেই সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন তারা। এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্যতম বড় ও ঐতিহ্যবাহী অস্থায়ী পশুর হাট কমলাপুরে এখন ধীরে ধীরে জমে উঠছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। মুগদা বিশ্বরোড, মানিকনগর, টিটিপাড়া স্টেডিয়াম এলাকা থেকে শুরু করে আন্ডারপাস হয়ে মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত এই হাটে দেশের নানা প্রান্ত থেকে গরু এনে তুলেছেন খামারি ও ব্যাপারীরা। এখনো নতুন করে ট্রাকে করে পশু আসছে নিয়মিত। রেলপথেও এবার বিপুল সংখ্যক গরু এসেছে কমলাপুরে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, যশোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও ট্রেনে করে পশু নিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। পবিত্র ঈদুল আজহা আর মাত্র কয়েক দিন দূরে থাকলেও শুরুতে ক্রেতার উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। তবে সময় যত এগোচ্ছে, হাটে ভিড় ততই বাড়ছে। বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে ক্রেতাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের একেবারে শেষ দিকে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হবে। হাট ঘুরে দেখা যায়, দেশি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি হলেও বড় ও ছোট গরুও বিক্রি হচ্ছে। দাম নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়াতে এখনই কেনাকাটা সারছেন। একজন ক্রেতা বলেন, এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তাই এখনও কেনা হয়নি, তবে দ্রুতই কিনে ফেলতে হবে। খামারিদের দাবি, গত বছরের তুলনায় এবার বাজারে দেশি পশুর ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সীমান্তবর্তী হাট বন্ধ থাকা এবং বাইরে থেকে পশু আসা কমে যাওয়ায় বাজারে দেশীয় গরুর ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু বড় খামার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহেও অতিরিক্ত চাপ নেই। ময়মনসিংহ থেকে ১৫টি গরু নিয়ে আসা এক খামারি জানান, তিনি ইতোমধ্যে একটি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। বাকিগুলো নিয়ে ভালো দামের অপেক্ষায় আছেন। হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং জাল টাকা শনাক্তে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহলও জোরদার করা হয়েছে। হাসিলঘরের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী জানান, বর্তমানে গরুপ্রতি ৫ শতাংশ হারে হাসিল নেওয়া হচ্ছে। সকালে ক্রেতা কিছুটা কম থাকলেও বিকেলের দিকে ভিড় বাড়ছে। সব মিলিয়ে আগামী এক-দুই দিনেই সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হবে বলে আশা করছেন তারা। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন