দেশে লবণের চাহিদা ও উৎপাদন দুই-ই বাড়ছে। বিশেষ করে ঝালকাঠির লবণ শিল্পে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন উৎপাদন শ্রমিকরা। তবে এই ব্যস্ততার সুফল তাদের জীবনে খুব একটা পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ শ্রমিকদের। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করলেও পারিশ্রমিক আগের মতোই সীমিত রয়ে গেছে। বাজারে চাহিদা বাড়ায় উৎপাদন বাড়লেও আয়ের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি বলে জানান তারা। শ্রমিক পারভীন বলেন, সংসারের খরচ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু যে আয় হচ্ছে, তাতে কোনোভাবেই টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই কাজ আগের মতোই করছি, কিন্তু জীবনমানের উন্নতি হয়নি। আরেক শ্রমিক শহিদ জানান, তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই কাজে যুক্ত। সময়ের সঙ্গে চারপাশে পরিবর্তন এলেও তাদের অবস্থার উন্নতি হয়নি। বর্তমানে দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়, যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি দাবি করেন, ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে সরকারের আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে লবণের দাম ও চাহিদা বাড়লেও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্সের এক পরিচালক জানান, দক্ষিণাঞ্চলের বড় একটি অংশের লবণ চাহিদা ঝালকাঠি থেকেই পূরণ হয়। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং ঈদকে কেন্দ্র করে চাহিদাও বেড়েছে। অন্যদিকে বিসিক জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঝালকাঠিতে লবণ কারখানাগুলো পুরোনো যন্ত্রপাতি ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। শিল্প টিকিয়ে রাখতে এবং উন্নয়ন ঘটাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়। এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
দেশে লবণের চাহিদা ও উৎপাদন দুই-ই বাড়ছে। বিশেষ করে ঝালকাঠির লবণ শিল্পে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন উৎপাদন শ্রমিকরা। তবে এই ব্যস্ততার সুফল তাদের জীবনে খুব একটা পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ শ্রমিকদের। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করলেও পারিশ্রমিক আগের মতোই সীমিত রয়ে গেছে। বাজারে চাহিদা বাড়ায় উৎপাদন বাড়লেও আয়ের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি বলে জানান তারা। শ্রমিক পারভীন বলেন, সংসারের খরচ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু যে আয় হচ্ছে, তাতে কোনোভাবেই টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই কাজ আগের মতোই করছি, কিন্তু জীবনমানের উন্নতি হয়নি। আরেক শ্রমিক শহিদ জানান, তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই কাজে যুক্ত। সময়ের সঙ্গে চারপাশে পরিবর্তন এলেও তাদের অবস্থার উন্নতি হয়নি। বর্তমানে দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়, যা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি দাবি করেন, ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে সরকারের আরও নজর দেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে লবণের দাম ও চাহিদা বাড়লেও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ঝালকাঠি চেম্বার অব কমার্সের এক পরিচালক জানান, দক্ষিণাঞ্চলের বড় একটি অংশের লবণ চাহিদা ঝালকাঠি থেকেই পূরণ হয়। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং ঈদকে কেন্দ্র করে চাহিদাও বেড়েছে। অন্যদিকে বিসিক জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঝালকাঠিতে লবণ কারখানাগুলো পুরোনো যন্ত্রপাতি ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। শিল্প টিকিয়ে রাখতে এবং উন্নয়ন ঘটাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন