মধ্যপ্রাচ্যে আজ আরাফাহ দিবস পালিত হওয়ায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে—আরাফার রোজা আজই রাখতে হবে কি না। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) ৯ জিলহজ হওয়ায় এখানকার মুসলমানদের জন্য আরাফার রোজা হবে সেই দিনই। ইসলামি স্কলারদের মতে, ইয়াওমে আরাফা কোনো স্থানভিত্তিক নয়, বরং এটি জিলহজ মাসের ৯ তারিখকে নির্দেশ করে। তাই প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব চাঁদ দেখা অনুযায়ী তারিখ গণনা করাই শরিয়তসম্মত বলে ফিকহবিদরা মত দিয়েছেন। হাদিস ও ফিকহগ্রন্থে এসেছে, ভিন্ন অঞ্চলের মুসলমানরা নিজ নিজ চাঁদ দেখার ভিত্তিতেই রোজা, ঈদসহ ধর্মীয় বিধান পালন করবেন। এ কারণে সৌদি আরবের তারিখের সঙ্গে সরাসরি মিল না হলেও স্থানীয় তারিখ অনুযায়ীই আরাফার রোজা নির্ধারিত হবে। আরাফার দিনের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, এই দিনে রোজা রাখলে আল্লাহ তায়ালা এক বছরের আগের ও পরের গুনাহ মাফ করে দেন। এছাড়া এটি এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন বলেও বর্ণিত হয়েছে। আলেমরা বলেন, এ দিনের মূল আমল হলো রোজার পাশাপাশি বেশি বেশি দোয়া, জিকির, তওবা-ইস্তেগফার ও ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া। যারা আজ রোজা রাখতে পারেননি, তারা হতাশ না হয়ে আগামীকাল রোজা পালনের নিয়ত করতে পারেন—কারণ এই দিনের সুযোগ হাতছাড়া না করাই মূল বিষয়। এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে আজ আরাফাহ দিবস পালিত হওয়ায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে—আরাফার রোজা আজই রাখতে হবে কি না। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগামীকাল বুধবার (২৭ মে) ৯ জিলহজ হওয়ায় এখানকার মুসলমানদের জন্য আরাফার রোজা হবে সেই দিনই। ইসলামি স্কলারদের মতে, ইয়াওমে আরাফা কোনো স্থানভিত্তিক নয়, বরং এটি জিলহজ মাসের ৯ তারিখকে নির্দেশ করে। তাই প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব চাঁদ দেখা অনুযায়ী তারিখ গণনা করাই শরিয়তসম্মত বলে ফিকহবিদরা মত দিয়েছেন। হাদিস ও ফিকহগ্রন্থে এসেছে, ভিন্ন অঞ্চলের মুসলমানরা নিজ নিজ চাঁদ দেখার ভিত্তিতেই রোজা, ঈদসহ ধর্মীয় বিধান পালন করবেন। এ কারণে সৌদি আরবের তারিখের সঙ্গে সরাসরি মিল না হলেও স্থানীয় তারিখ অনুযায়ীই আরাফার রোজা নির্ধারিত হবে। আরাফার দিনের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, এই দিনে রোজা রাখলে আল্লাহ তায়ালা এক বছরের আগের ও পরের গুনাহ মাফ করে দেন। এছাড়া এটি এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহ সবচেয়ে বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন বলেও বর্ণিত হয়েছে। আলেমরা বলেন, এ দিনের মূল আমল হলো রোজার পাশাপাশি বেশি বেশি দোয়া, জিকির, তওবা-ইস্তেগফার ও ইবাদতে মনোযোগ দেওয়া। যারা আজ রোজা রাখতে পারেননি, তারা হতাশ না হয়ে আগামীকাল রোজা পালনের নিয়ত করতে পারেন—কারণ এই দিনের সুযোগ হাতছাড়া না করাই মূল বিষয়। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন