হজের দিনগুলোতে মিনায় নামাজ আদায়ের সময় আজান ও ইকামত নিয়ে অনেক হাজির মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা যায়। বিশেষ করে আরাফা ও মুজদালিফার বিধানের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলার কারণে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তবে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সুন্নাহ ও ফিকহ শাস্ত্র অনুযায়ী মিনার আমল আলাদা এবং সুস্পষ্ট।
মিনায় জোহর, আছর, মাগরিব, এশা ও ফজর—পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নির্ধারিত সময়েই পৃথকভাবে আদায় করা হয়। এখানে নামাজ একত্রে পড়ার বিধান নেই। ফলে জামাতে প্রতিটি ফরজ নামাজের আগে আলাদা আজান ও ইকামত দেওয়া সুন্নত হিসেবে প্রচলিত।
হাদিসে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (স.) মিনায় অবস্থানকালে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ স্বাভাবিক নিয়মেই আদায় করেছেন (সহিহ মুসলিম: ১২১৮)।
আরাফায় জোহর ও আছর একত্রে এবং মুজদালিফায় মাগরিব ও এশা একসঙ্গে আদায় করা হয়। এসব ক্ষেত্রে একটি আজান ও দুইটি ইকামত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে মিনায় এই বিধান প্রযোজ্য নয়। অধিকাংশ ফিকহবিদের মতে, এখানে প্রতিটি নামাজ আলাদা হওয়ায় আলাদা আজান-ইকামতই অনুসরণযোগ্য।
মিনায় মসজিদুল খাইফ থেকে সাধারণত কেন্দ্রীয়ভাবে আজান দেওয়া হয়। এই আজান শোনা গেলে পুনরায় আজান দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে আলাদা করে দেওয়া মুস্তাহাব হিসেবে বিবেচিত হয়। ইকামত প্রতিটি জামাতের জন্য আলাদাভাবে দেওয়া সুন্নত।
মিনায় চার রাকাতের ফরজ নামাজ কসর করে দুই রাকাত আদায় করা হয়। তবে আজান ও ইকামতের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন নেই—পূর্ণ নিয়মেই তা পালন করতে হবে।
মিনায় প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজ আলাদাভাবে আদায় করা হয়, তাই প্রতিটি নামাজের জন্য পৃথক আজান ও ইকামতই সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি। আরাফা ও মুজদালিফার বিধান এখানে প্রযোজ্য নয়। কেন্দ্রীয় আজান শোনা গেলেও আলাদা ইকামত দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
হজের দিনগুলোতে মিনায় নামাজ আদায়ের সময় আজান ও ইকামত নিয়ে অনেক হাজির মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা যায়। বিশেষ করে আরাফা ও মুজদালিফার বিধানের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলার কারণে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তবে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সুন্নাহ ও ফিকহ শাস্ত্র অনুযায়ী মিনার আমল আলাদা এবং সুস্পষ্ট।
মিনায় জোহর, আছর, মাগরিব, এশা ও ফজর—পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নির্ধারিত সময়েই পৃথকভাবে আদায় করা হয়। এখানে নামাজ একত্রে পড়ার বিধান নেই। ফলে জামাতে প্রতিটি ফরজ নামাজের আগে আলাদা আজান ও ইকামত দেওয়া সুন্নত হিসেবে প্রচলিত।
হাদিসে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (স.) মিনায় অবস্থানকালে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ স্বাভাবিক নিয়মেই আদায় করেছেন (সহিহ মুসলিম: ১২১৮)।
আরাফায় জোহর ও আছর একত্রে এবং মুজদালিফায় মাগরিব ও এশা একসঙ্গে আদায় করা হয়। এসব ক্ষেত্রে একটি আজান ও দুইটি ইকামত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে মিনায় এই বিধান প্রযোজ্য নয়। অধিকাংশ ফিকহবিদের মতে, এখানে প্রতিটি নামাজ আলাদা হওয়ায় আলাদা আজান-ইকামতই অনুসরণযোগ্য।
মিনায় মসজিদুল খাইফ থেকে সাধারণত কেন্দ্রীয়ভাবে আজান দেওয়া হয়। এই আজান শোনা গেলে পুনরায় আজান দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে আলাদা করে দেওয়া মুস্তাহাব হিসেবে বিবেচিত হয়। ইকামত প্রতিটি জামাতের জন্য আলাদাভাবে দেওয়া সুন্নত।
মিনায় চার রাকাতের ফরজ নামাজ কসর করে দুই রাকাত আদায় করা হয়। তবে আজান ও ইকামতের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন নেই—পূর্ণ নিয়মেই তা পালন করতে হবে।
মিনায় প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজ আলাদাভাবে আদায় করা হয়, তাই প্রতিটি নামাজের জন্য পৃথক আজান ও ইকামতই সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি। আরাফা ও মুজদালিফার বিধান এখানে প্রযোজ্য নয়। কেন্দ্রীয় আজান শোনা গেলেও আলাদা ইকামত দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন