পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সৌদি আরবের মক্কা ও আশপাশের এলাকা এখন পরিণত হয়েছে লাখো মুসল্লির সমাবেশে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১৫ লাখেরও বেশি হাজি এবার হজ পালনে অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সোমবার থেকে শুরু হওয়া মূল কার্যক্রমের পর থেকেই ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে মিনার পথ। দল বেঁধে হাজিরা পায়ে হেঁটে মিনার দিকে রওনা হচ্ছেন, যা পুরো এলাকাজুড়ে তৈরি করেছে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ। সৌদি হজ পাসপোর্ট ফোর্সের কমান্ডার সালেহ বিন সাদ আল-মুরাব্বার তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বিদেশি হাজিদের আগমন ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তীব্র গরম উপেক্ষা করেও নির্বিঘ্নে মিনার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। মক্কায় বর্তমানে চলছে প্রচণ্ড দাবদাহ। তবে সেই কঠিন আবহাওয়ার মধ্যেও থেমে নেই ইবাদত-বন্দেগি। কাবা শরিফে তাওয়াফসহ প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন হাজিরা। গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই ছাতা, ছোট ফ্যান ও পানির স্প্রে ব্যবহার করছেন। মিনার তাঁবু এলাকায় স্বেচ্ছাসেবীরা নিয়মিত পানি বিতরণ করছেন এবং হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে বিশেষ শীতলীকরণ ব্যবস্থা ও মিস্ট ফ্যান চালু রাখা হয়েছে। ৮ জিলহজের এই দিনটি হাজিদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন জোহর থেকে ফজর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মিনায় আদায় করা সুন্নত। মক্কার বাইরের হাজিরা জোহর, আছর ও এশার নামাজ কসর করে আদায় করছেন। পাশাপাশি জিকির, ইস্তেগফার, দরুদ ও কোরআন তেলাওয়াতে সময় কাটাচ্ছেন তারা। রাতটিও মিনায় অবস্থান করেই কাটানোর নিয়ম রয়েছে। চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও হজের আধ্যাত্মিক পরিবেশে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন অনেক হাজি। মিশর থেকে আগত এক হাজি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, এই মুহূর্ত তার জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য। আগামীকাল ৯ জিলহজ, হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। হাজিরা রওনা হবেন আরাফাতের ময়দানে, যেখানে অবস্থান করা হজের মূল ফরজ। সেখানে খুতবা শেষে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করে তারা যাবেন মুজদালিফায়। এরপর মিনায় ফিরে কোরবানি, কঙ্কর নিক্ষেপ এবং মাথা মুণ্ডনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শেষ হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সূত্র: গালফ নিউজ, ইনসাইড দ্য হারামাইন এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সৌদি আরবের মক্কা ও আশপাশের এলাকা এখন পরিণত হয়েছে লাখো মুসল্লির সমাবেশে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১৫ লাখেরও বেশি হাজি এবার হজ পালনে অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। সোমবার থেকে শুরু হওয়া মূল কার্যক্রমের পর থেকেই ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছে মিনার পথ। দল বেঁধে হাজিরা পায়ে হেঁটে মিনার দিকে রওনা হচ্ছেন, যা পুরো এলাকাজুড়ে তৈরি করেছে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
সৌদি হজ পাসপোর্ট ফোর্সের কমান্ডার সালেহ বিন সাদ আল-মুরাব্বার তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বিদেশি হাজিদের আগমন ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তীব্র গরম উপেক্ষা করেও নির্বিঘ্নে মিনার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
মক্কায় বর্তমানে চলছে প্রচণ্ড দাবদাহ। তবে সেই কঠিন আবহাওয়ার মধ্যেও থেমে নেই ইবাদত-বন্দেগি। কাবা শরিফে তাওয়াফসহ প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন হাজিরা। গরম থেকে বাঁচতে অনেকেই ছাতা, ছোট ফ্যান ও পানির স্প্রে ব্যবহার করছেন। মিনার তাঁবু এলাকায় স্বেচ্ছাসেবীরা নিয়মিত পানি বিতরণ করছেন এবং হিটস্ট্রোক প্রতিরোধে বিশেষ শীতলীকরণ ব্যবস্থা ও মিস্ট ফ্যান চালু রাখা হয়েছে।
৮ জিলহজের এই দিনটি হাজিদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন জোহর থেকে ফজর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মিনায় আদায় করা সুন্নত। মক্কার বাইরের হাজিরা জোহর, আছর ও এশার নামাজ কসর করে আদায় করছেন। পাশাপাশি জিকির, ইস্তেগফার, দরুদ ও কোরআন তেলাওয়াতে সময় কাটাচ্ছেন তারা। রাতটিও মিনায় অবস্থান করেই কাটানোর নিয়ম রয়েছে।
চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও হজের আধ্যাত্মিক পরিবেশে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন অনেক হাজি। মিশর থেকে আগত এক হাজি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, এই মুহূর্ত তার জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য।
আগামীকাল ৯ জিলহজ, হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। হাজিরা রওনা হবেন আরাফাতের ময়দানে, যেখানে অবস্থান করা হজের মূল ফরজ। সেখানে খুতবা শেষে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করে তারা যাবেন মুজদালিফায়। এরপর মিনায় ফিরে কোরবানি, কঙ্কর নিক্ষেপ এবং মাথা মুণ্ডনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শেষ হবে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা।
সূত্র: গালফ নিউজ, ইনসাইড দ্য হারামাইন
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন