গাজীপুরের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির দলিল সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেবাগ্রহীতাদের দাবি, দলিল করতে গেলে বাধ্যতামূলকভাবে টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট চাওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভ্রান্তি ও ভোগান্তি।
ভুক্তভোগীরা জানান, নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে দলিল সম্পাদনের সুযোগ করে দিচ্ছে একটি দালাল ও দলিল লেখক চক্র। এতে সাধারণ মানুষকে বারবার হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, দলিল সম্পাদনের জন্য স্বাভাবিক ফি’র বাইরে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এই বাড়তি অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে—অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, দালাল চক্র নাকি অন্য কেউ—তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রয়োজনীয় কাজের জন্য দিনের পর দিন ঘুরতে হয় সেবা প্রত্যাশীদের। অথচ অর্থ দিলেই কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা অনিয়ম ও দুর্নীতির আশঙ্কাকে আরও জোরালো করছে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, প্রকাশ্য এসব অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর নজরদারির অভাবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, “সাধারণ মানুষ যদি ন্যায্য সেবা না পায়, তাহলে এই দুর্ভোগের শেষ কোথায়?” দ্রুত সমাধান ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সেবাগ্রহীতারা।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
গাজীপুরের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির দলিল সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেবাগ্রহীতাদের দাবি, দলিল করতে গেলে বাধ্যতামূলকভাবে টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট চাওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিভ্রান্তি ও ভোগান্তি।
ভুক্তভোগীরা জানান, নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে দলিল সম্পাদনের সুযোগ করে দিচ্ছে একটি দালাল ও দলিল লেখক চক্র। এতে সাধারণ মানুষকে বারবার হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, দলিল সম্পাদনের জন্য স্বাভাবিক ফি’র বাইরে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এই বাড়তি অর্থ কার পকেটে যাচ্ছে—অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, দালাল চক্র নাকি অন্য কেউ—তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রয়োজনীয় কাজের জন্য দিনের পর দিন ঘুরতে হয় সেবা প্রত্যাশীদের। অথচ অর্থ দিলেই কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা অনিয়ম ও দুর্নীতির আশঙ্কাকে আরও জোরালো করছে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, প্রকাশ্য এসব অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর নজরদারির অভাবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, “সাধারণ মানুষ যদি ন্যায্য সেবা না পায়, তাহলে এই দুর্ভোগের শেষ কোথায়?” দ্রুত সমাধান ও স্বচ্ছ সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সেবাগ্রহীতারা।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন