বগুড়ার গাবতলীতে জমি বিক্রির টাকা চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে পরিচিতি ধরা পড়ায় রিতা রানী মজুমদার (৫০) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন মমিনহাটা গ্রামের শাওন মিয়া (২০) ও আনোয়ার হোসেন (৩৫)। তারা দুজনই দিনমজুরের কাজ করতেন। পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে আনোয়ার হোসেন জানতে পারেন বিধান মজুমদারের বাড়িতে জমি বিক্রির কিছু টাকা রাখা আছে। এরপর শাওনকে সঙ্গে নিয়ে টাকা চুরির পরিকল্পনা করেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী আনোয়ার স্থানীয় বাজার থেকে দুটি হাসুয়া সংগ্রহ করেন। গত ২০ মে রাতে বিধান মজুমদার ও তার স্ত্রী বাড়ির বাইরে ধান ও খড়ের কাজে গেলে তারা সুযোগ নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন এবং গরুর খাবার রাখার ঘরে লুকিয়ে থাকেন। পরে রাত গভীর হলে তারা চুরির চেষ্টা শুরু করে। রাত সোয়া ১২টার দিকে শব্দ করে দরজায় ধাক্কা দিলে রিতা রানী মজুমদার টর্চ হাতে বাইরে বের হন। এ সময় তিনি আনোয়ারকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে আনোয়ার হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। এরপর তারা দ্রুত পালিয়ে যায়, কোনো টাকা না নিয়েই। পাশের ঘর থেকে শব্দ পেয়ে বাইরে এসে বিধান মজুমদার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনার পর গাবতলী থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। পরে শাওনকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করে আনোয়ারের নাম জানান। এরপর অভিযান চালিয়ে আনোয়ারকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে আসামিদের দেখানো মতে হত্যায় ব্যবহৃত দুটি হাসুয়া কচুরিপানার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত পোশাক, মোবাইল ফোন ও সিমকার্ডও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার দুইজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
বগুড়ার গাবতলীতে জমি বিক্রির টাকা চুরির উদ্দেশ্যে ঢুকে পরিচিতি ধরা পড়ায় রিতা রানী মজুমদার (৫০) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন মমিনহাটা গ্রামের শাওন মিয়া (২০) ও আনোয়ার হোসেন (৩৫)। তারা দুজনই দিনমজুরের কাজ করতেন। পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে আনোয়ার হোসেন জানতে পারেন বিধান মজুমদারের বাড়িতে জমি বিক্রির কিছু টাকা রাখা আছে। এরপর শাওনকে সঙ্গে নিয়ে টাকা চুরির পরিকল্পনা করেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী আনোয়ার স্থানীয় বাজার থেকে দুটি হাসুয়া সংগ্রহ করেন। গত ২০ মে রাতে বিধান মজুমদার ও তার স্ত্রী বাড়ির বাইরে ধান ও খড়ের কাজে গেলে তারা সুযোগ নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন এবং গরুর খাবার রাখার ঘরে লুকিয়ে থাকেন। পরে রাত গভীর হলে তারা চুরির চেষ্টা শুরু করে। রাত সোয়া ১২টার দিকে শব্দ করে দরজায় ধাক্কা দিলে রিতা রানী মজুমদার টর্চ হাতে বাইরে বের হন। এ সময় তিনি আনোয়ারকে চিনে ফেলেন। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে আনোয়ার হাতে থাকা হাসুয়া দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। এরপর তারা দ্রুত পালিয়ে যায়, কোনো টাকা না নিয়েই। পাশের ঘর থেকে শব্দ পেয়ে বাইরে এসে বিধান মজুমদার স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। ঘটনার পর গাবতলী থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। পরে শাওনকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করে আনোয়ারের নাম জানান। এরপর অভিযান চালিয়ে আনোয়ারকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে আসামিদের দেখানো মতে হত্যায় ব্যবহৃত দুটি হাসুয়া কচুরিপানার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত পোশাক, মোবাইল ফোন ও সিমকার্ডও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার দুইজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন