গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজার এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দোকানদার, পথচারী ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এবং ফুটপাত ঘেঁষে অস্থায়ীভাবে বসা দোকান, অটোরিকশা স্ট্যান্ড ও হকারদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে টাকা আদায় করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা না দিলে হুমকি দেওয়া, দোকান বসাতে বাধা দেওয়া কিংবা জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
ফুটপাত ব্যবহারকারী একাধিক হকার জানান, নির্দিষ্ট কিছু লোক প্রতিদিন এসে “ভাড়া” বা “চাঁদা” নামে টাকা নিয়ে যায়। তারা বলেন, “প্রতিদিন টাকা না দিলে এখানে দাঁড়াতেও দেয় না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়।”
অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল হওয়ায় যানজট তীব্র হচ্ছে। এতে ক্রেতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বিকেল ও সন্ধ্যায় পরিস্থিতি আরও অব্যবস্থাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাদের।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, বোর্ড বাজার এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
গাজীপুর মহানগরীর বোর্ড বাজার এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে—এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দোকানদার, পথচারী ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এবং ফুটপাত ঘেঁষে অস্থায়ীভাবে বসা দোকান, অটোরিকশা স্ট্যান্ড ও হকারদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে টাকা আদায় করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা না দিলে হুমকি দেওয়া, দোকান বসাতে বাধা দেওয়া কিংবা জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।
ফুটপাত ব্যবহারকারী একাধিক হকার জানান, নির্দিষ্ট কিছু লোক প্রতিদিন এসে “ভাড়া” বা “চাঁদা” নামে টাকা নিয়ে যায়। তারা বলেন, “প্রতিদিন টাকা না দিলে এখানে দাঁড়াতেও দেয় না। বাধ্য হয়ে দিতে হয়।”
অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল হওয়ায় যানজট তীব্র হচ্ছে। এতে ক্রেতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বিকেল ও সন্ধ্যায় পরিস্থিতি আরও অব্যবস্থাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে চক্রটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাদের।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, বোর্ড বাজার এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন