কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়াহেদ আলী (৫০) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার গভীর রাতে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ওয়াহেদ আলী উপজেলার তারাপুর গ্রামের মৃত রজব আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি আমবাগানের কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশু মাঠে ছাগল চরাতে যায়। একপর্যায়ে পাশের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে অভিযুক্ত ওয়াহেদ তাকে জোরপূর্বক ধরে মুখ চেপে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে মাকে বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বিষয়টি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে শিশুটির বাবা সোমবার রাতে কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে গভীর রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার বাদী শিশুটির বাবা বলেন, “আমার ছেলেকে মাঠে নিয়ে গিয়ে এমন নির্যাতন করা হয়েছে। আমি চাই, দোষীর এমন শাস্তি হোক যাতে আর কোনো শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা না ঘটে।”
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় কোনো ধরনের গ্রাম্য সালিশের সুযোগ নেই।”
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক ছেলে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ওয়াহেদ আলী (৫০) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার গভীর রাতে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের তারাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ওয়াহেদ আলী উপজেলার তারাপুর গ্রামের মৃত রজব আলী বিশ্বাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি আমবাগানের কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশু মাঠে ছাগল চরাতে যায়। একপর্যায়ে পাশের একটি আমবাগানে আম কুড়াতে গেলে অভিযুক্ত ওয়াহেদ তাকে জোরপূর্বক ধরে মুখ চেপে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর শিশুটি বাড়িতে ফিরে মাকে বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বিষয়টি গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে শিশুটির বাবা সোমবার রাতে কুমারখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে গভীর রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মামলার বাদী শিশুটির বাবা বলেন, “আমার ছেলেকে মাঠে নিয়ে গিয়ে এমন নির্যাতন করা হয়েছে। আমি চাই, দোষীর এমন শাস্তি হোক যাতে আর কোনো শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা না ঘটে।”
কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। এ ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় কোনো ধরনের গ্রাম্য সালিশের সুযোগ নেই।”
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন