ঢাকা    শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৬

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য সফরের তারিখ হিসেবে ২৩ থেকে ২৬ জুন প্রস্তাব করেছে বেইজিং। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সফরকে ঘিরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে চীন, পাশাপাশি ঢাকাও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।

সূত্র অনুযায়ী, গত রোববার গভীর রাতে নোট ভারবালের মাধ্যমে সফরের প্রস্তাব পাঠায় বেইজিং। এ নিয়ে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর সামনে রেখে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার করা, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাতে অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্যমতে, বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী বেইজিং। তিনি জানান, রাজনৈতিক আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় চীন। বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের সমন্বয়ের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা হবে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে চীনা উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে চীনের সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকে খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং চীন বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার। নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, তাইওয়ান ইস্যুতে বাংলাদেশ ‘এক চীন’ নীতির প্রতি অটল রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান অনুযায়ী, ‘পিপলস রিপাবলিক অব চায়না’-ই সমগ্র চীনের একমাত্র বৈধ সরকার এবং তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বৈঠক শেষে উভয় দেশ যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬


জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে চীন সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্ভাব্য সফরের তারিখ হিসেবে ২৩ থেকে ২৬ জুন প্রস্তাব করেছে বেইজিং। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সফরকে ঘিরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে চীন, পাশাপাশি ঢাকাও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।

সূত্র অনুযায়ী, গত রোববার গভীর রাতে নোট ভারবালের মাধ্যমে সফরের প্রস্তাব পাঠায় বেইজিং। এ নিয়ে বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর সামনে রেখে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চীন সফর করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সেখানে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার করা, বাস্তবমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি খাতে অংশীদারত্ব, আঞ্চলিক সংযোগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্যমতে, বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে আগ্রহী বেইজিং। তিনি জানান, রাজনৈতিক আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, অবকাঠামো, পানি ব্যবস্থাপনা ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় চীন। বাংলাদেশের উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের সমন্বয়ের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো উদীয়মান খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা হবে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে চীনা উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে চীনের সম্পর্ক কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকে খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং চীন বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার। নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, তাইওয়ান ইস্যুতে বাংলাদেশ ‘এক চীন’ নীতির প্রতি অটল রয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান অনুযায়ী, ‘পিপলস রিপাবলিক অব চায়না’-ই সমগ্র চীনের একমাত্র বৈধ সরকার এবং তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বৈঠক শেষে উভয় দেশ যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ