আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৫ মে) সকাল ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকার বেশ কয়েকটি পশুর হাট পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির এবং জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ, নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত অর্থ আদায় রোধ এবং সড়কে পশু বিক্রি করে যানজট সৃষ্টি না করার বিষয়ে কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাঁরা হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। হাটগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা দেখে ক্রেতা-বিক্রেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তবে পরিদর্শনকালে চানমারী ও ইব্রাহিম টেক্সটাইল বালুর মাঠ পশুর হাটের মূল সড়কে গরুর অবস্থান দেখতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় সড়ক দখল করে যানজট সৃষ্টির দায়ে হাট কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
পশু হাটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন:
“ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কোনো হাটে নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত টাকা আদায়, জাল নোটের লেনদেন বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ডিসি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সড়কে পশু রেখে যানজট সৃষ্টি করলে হাট ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন, ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি তুলে ধরে তিনি জানান, পশুর হাট ও সংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে হাটে আসতে পারেন এবং কোরবানির পশু কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে।
পশুর হাট পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সদস্যবৃন্দ।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৫ মে) সকাল ১১টা থেকে বিকেল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকার বেশ কয়েকটি পশুর হাট পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির এবং জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ, নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত অর্থ আদায় রোধ এবং সড়কে পশু বিক্রি করে যানজট সৃষ্টি না করার বিষয়ে কঠোর মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাঁরা হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। হাটগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা দেখে ক্রেতা-বিক্রেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তবে পরিদর্শনকালে চানমারী ও ইব্রাহিম টেক্সটাইল বালুর মাঠ পশুর হাটের মূল সড়কে গরুর অবস্থান দেখতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। এ সময় সড়ক দখল করে যানজট সৃষ্টির দায়ে হাট কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
পশু হাটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন:
“ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কোনো হাটে নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত টাকা আদায়, জাল নোটের লেনদেন বা চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ডিসি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সড়কে পশু রেখে যানজট সৃষ্টি করলে হাট ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিটি হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন, ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি তুলে ধরে তিনি জানান, পশুর হাট ও সংলগ্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ভ্রাম্যমাণ আদালত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে হাটে আসতে পারেন এবং কোরবানির পশু কিনতে পারেন, সে লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে।
পশুর হাট পরিদর্শনের সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সদস্যবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন