বান্দরবানের কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ও তাদের তৎপরতা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, এই গোষ্ঠীকে পাহাড়ি এলাকা থেকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখা হবে না। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। র্যাব ডিজি বলেন, কেএনএফ কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে শক্তিশালী নয়। তিনি দাবি করেন, তাদের তৎপরতা দমনে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সম্প্রতি রুমা ও থানচিতে সংঘটিত সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় র্যাবের মূল ক্যাম্পে সরাসরি কোনো হামলা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনাটি অতর্কিত ছিল উল্লেখ করে তিনি মাঠপর্যায়ে নজরদারিতে কিছু ঘাটতির কথাও স্বীকার করেন। তার ভাষায়, “তারা সুযোগ বুঝে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদের কিছুটা অসাবধানতা ছিল, সেটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।” তিনি আরও বলেন, কেএনএফ বা সংশ্লিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর পক্ষে ভবিষ্যতে আর সংগঠিত হওয়া সম্ভব হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলমান থাকবে এবং পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। আসন্ন ঈদুল আজহা ঘিরে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই বলেও জানান র্যাব ডিজি। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পূর্ণ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
বান্দরবানের কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ও তাদের তৎপরতা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, এই গোষ্ঠীকে পাহাড়ি এলাকা থেকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখা হবে না। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। র্যাব ডিজি বলেন, কেএনএফ কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে শক্তিশালী নয়। তিনি দাবি করেন, তাদের তৎপরতা দমনে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সম্প্রতি রুমা ও থানচিতে সংঘটিত সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই ঘটনায় র্যাবের মূল ক্যাম্পে সরাসরি কোনো হামলা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনাটি অতর্কিত ছিল উল্লেখ করে তিনি মাঠপর্যায়ে নজরদারিতে কিছু ঘাটতির কথাও স্বীকার করেন। তার ভাষায়, “তারা সুযোগ বুঝে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমাদের কিছুটা অসাবধানতা ছিল, সেটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।” তিনি আরও বলেন, কেএনএফ বা সংশ্লিষ্ট কোনো গোষ্ঠীর পক্ষে ভবিষ্যতে আর সংগঠিত হওয়া সম্ভব হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলমান থাকবে এবং পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। আসন্ন ঈদুল আজহা ঘিরে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই বলেও জানান র্যাব ডিজি। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পূর্ণ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন