মুষলধারে বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে দ্বিতীয় দিনের মতো চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী, বিশেষ করে পথচারীরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীতে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে ভারী বৃষ্টি হয়। বৃষ্টি থামার পরই শহরের একাধিক এলাকায় পানি জমে থাকতে দেখা যায়।
নয়াপল্টনের ভিআইপি রোড, বেইলি রোড, নিউমার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি এলাকায় সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে, আবার কিছু এলাকায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
বেইলি রোডে জমে থাকা পানির মধ্য দিয়েই কোনো রকমে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেলেও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। অনেকেই বাধ্য হয়ে রিকশায় ওঠেন, আবার কেউ কেউ পানির মধ্যেই হেঁটে গন্তব্যে যেতে চেষ্টা করেন।
শান্তিনগর মোড়ে পানির কারণে আটকে পড়েন হাসানুজ্জামান। রোড ডিভাইডারে দাঁড়িয়ে রিকশার অপেক্ষায় তিনি বলেন, “অফিসার্স ক্লাবের ওখানে যাবো। কিন্তু বেইলি রোড পানিতে ডুবে গেছে। রিকশাও পাচ্ছি না, বেশ বিপদে পড়ে গেছি।”
একই স্থানে ফরেন সার্ভিস ভবন এলাকায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন আবুল কাশেম। তিনি জানান, অনেক অনুরোধ করেও রিকশা পাননি। তার ভাষায়, “একটা খালি রিকশা পেয়েছিলাম, ১০০ টাকা দিতে চেয়েছিলাম, তাও যায়নি।”
নাইটিঙ্গেল মোড়ে দেখা যায় আরেক পথচারী বিশালকে, যিনি ফকিরাপুলের উদ্দেশে রওনা দিতে না পেরে আটকে আছেন পানিতে। তিনি বলেন, পানি জমে থাকায় চলাচলই কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে তাদের কর্মীরা কাজ শুরু করেছেন।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
মুষলধারে বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে দ্বিতীয় দিনের মতো চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী, বিশেষ করে পথচারীরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীতে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে ভারী বৃষ্টি হয়। বৃষ্টি থামার পরই শহরের একাধিক এলাকায় পানি জমে থাকতে দেখা যায়।
নয়াপল্টনের ভিআইপি রোড, বেইলি রোড, নিউমার্কেটসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি এলাকায় সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে, আবার কিছু এলাকায় মানুষের স্বাভাবিক চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
বেইলি রোডে জমে থাকা পানির মধ্য দিয়েই কোনো রকমে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেলেও পথচারীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন। অনেকেই বাধ্য হয়ে রিকশায় ওঠেন, আবার কেউ কেউ পানির মধ্যেই হেঁটে গন্তব্যে যেতে চেষ্টা করেন।
শান্তিনগর মোড়ে পানির কারণে আটকে পড়েন হাসানুজ্জামান। রোড ডিভাইডারে দাঁড়িয়ে রিকশার অপেক্ষায় তিনি বলেন, “অফিসার্স ক্লাবের ওখানে যাবো। কিন্তু বেইলি রোড পানিতে ডুবে গেছে। রিকশাও পাচ্ছি না, বেশ বিপদে পড়ে গেছি।”
একই স্থানে ফরেন সার্ভিস ভবন এলাকায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন আবুল কাশেম। তিনি জানান, অনেক অনুরোধ করেও রিকশা পাননি। তার ভাষায়, “একটা খালি রিকশা পেয়েছিলাম, ১০০ টাকা দিতে চেয়েছিলাম, তাও যায়নি।”
নাইটিঙ্গেল মোড়ে দেখা যায় আরেক পথচারী বিশালকে, যিনি ফকিরাপুলের উদ্দেশে রওনা দিতে না পেরে আটকে আছেন পানিতে। তিনি বলেন, পানি জমে থাকায় চলাচলই কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে তাদের কর্মীরা কাজ শুরু করেছেন।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন