ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে। ঈদের আর কয়েকদিন বাকি থাকায় রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চল থেকে মানুষের বাড়ি ফেরার গতি বেড়েছে। তবে পুরোপুরি ঈদযাত্রা শুরু না হলেও যানবাহনের সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে যাত্রীদের মধ্যে।
রোববার বিকেলে টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সড়কে যানবাহনের চাপ আগের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গমুখী এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে বাসের সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় যাত্রীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, সুযোগ বুঝে অনেক পরিবহনেই স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ পর্যন্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। আবার কিছু যাত্রীকে আসন না পেয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
গার্মেন্টসকর্মী আলম হোসেন জানান, স্বাভাবিক সময়ে যে পথে ১০০ টাকা ভাড়া লাগে, ঈদের সময় সেখানে ৩০০ টাকা দিতে হচ্ছে। একই অভিযোগ করেন আরেক শ্রমিক মোহাম্মদ ইখলাসও। তিনি বলেন, গাজীপুর থেকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত যেতে যেখানে ৮০–১০০ টাকা লাগে, সেখানে এখন ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তাও দাঁড়িয়ে যেতে হচ্ছে।
আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অপেক্ষমাণ আরেক যাত্রী আকাশ মিয়া বলেন, আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তার ভাষায়, স্বাভাবিক ভাড়া ৩০০ টাকার জায়গায় এখন ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যানবাহনের চাপ বাড়লেও টোল প্লাজায় অতিরিক্ত বুথ চালু করে স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথসহ মোট ১৮টি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে। দুই প্রান্তেই রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের যানজট তৈরি হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে। ঈদের আর কয়েকদিন বাকি থাকায় রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চল থেকে মানুষের বাড়ি ফেরার গতি বেড়েছে। তবে পুরোপুরি ঈদযাত্রা শুরু না হলেও যানবাহনের সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে যাত্রীদের মধ্যে।
রোববার বিকেলে টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সড়কে যানবাহনের চাপ আগের তুলনায় অনেক বেশি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গমুখী এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে বাসের সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকায় যাত্রীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, সুযোগ বুঝে অনেক পরিবহনেই স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ পর্যন্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। আবার কিছু যাত্রীকে আসন না পেয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
গার্মেন্টসকর্মী আলম হোসেন জানান, স্বাভাবিক সময়ে যে পথে ১০০ টাকা ভাড়া লাগে, ঈদের সময় সেখানে ৩০০ টাকা দিতে হচ্ছে। একই অভিযোগ করেন আরেক শ্রমিক মোহাম্মদ ইখলাসও। তিনি বলেন, গাজীপুর থেকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত যেতে যেখানে ৮০–১০০ টাকা লাগে, সেখানে এখন ২০০ টাকা দিতে হচ্ছে, তাও দাঁড়িয়ে যেতে হচ্ছে।
আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অপেক্ষমাণ আরেক যাত্রী আকাশ মিয়া বলেন, আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গাড়ির জন্য দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তার ভাষায়, স্বাভাবিক ভাড়া ৩০০ টাকার জায়গায় এখন ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যানবাহনের চাপ বাড়লেও টোল প্লাজায় অতিরিক্ত বুথ চালু করে স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা বুথসহ মোট ১৮টি বুথে টোল আদায় করা হচ্ছে। দুই প্রান্তেই রেকার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের যানজট তৈরি হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন