সিনেমার চরিত্রের প্রয়োজনে পর্দায় নানা রূপে হাজির হতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। এবার সেই অভিজ্ঞতার বাইরে গিয়ে বাস্তবেই দর্শকদের চমকে দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। ‘পাগলী’ চরিত্রের একটি গান গেয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তুষি। তিনি জানান, গানটি গাওয়ার সময় শুরুতে বেশ নার্ভাস ছিলেন।
তুষির ভাষায়, “আমি তো প্রথমে নার্ভাস, ভয়ে স্টিফ হয়ে গেছিলাম। ওটা একটা পাগলীর গান। সেই হিসেবে গাইতে হয়েছিল। পরে দেখি সবাই খুব এক্সাইটেড, পছন্দও করছে। তখন মনে হয়েছে ভালোই হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ‘রইদ’ সিনেমায় পাগলী চরিত্রে কাজ করার সময় গ্রামের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল, যা চরিত্রটিকে আরও জীবন্ত করে তুলতে সাহায্য করেছে।
“গ্রামের মানুষদের কাছ থেকে অনেক গান শুনতাম। শুটিংয়ের সময় চরিত্র হয়ে নিজেও গুনগুন করতাম। পরে টিমের সবাই মিলে ভাবল গানটা পারফর্ম করা যায়,” বলেন তিনি।
অভিনেত্রীর মতে, প্রথমে দ্বিধা থাকলেও সহকর্মীদের উৎসাহই তাকে সাহস দিয়েছে। তার কথায়, “বন্ধুরা সবাই বলল, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, মজা হবে। তখনই সিদ্ধান্ত নিই।”
এই অভিজ্ঞতাকে তিনি পুরোপুরি আনন্দের বলেও উল্লেখ করেন। তুষি বলেন, “পুরোটাই মজার স্মৃতি। পাগলী চরিত্রে আমি সত্যিই পাগলামিই করেছি। এখন দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে ভালো লাগছে।”
তিনি আরও জানান, গ্রামে শুটিংয়ের সময় স্থানীয়দের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্ক এখনও তাকে হাসায়। অনেকেই এখনো তাকে চরিত্রের নামেই চিনে থাকেন বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
সিনেমার চরিত্রের প্রয়োজনে পর্দায় নানা রূপে হাজির হতে হয় অভিনয়শিল্পীদের। এবার সেই অভিজ্ঞতার বাইরে গিয়ে বাস্তবেই দর্শকদের চমকে দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। ‘পাগলী’ চরিত্রের একটি গান গেয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তুষি। তিনি জানান, গানটি গাওয়ার সময় শুরুতে বেশ নার্ভাস ছিলেন।
তুষির ভাষায়, “আমি তো প্রথমে নার্ভাস, ভয়ে স্টিফ হয়ে গেছিলাম। ওটা একটা পাগলীর গান। সেই হিসেবে গাইতে হয়েছিল। পরে দেখি সবাই খুব এক্সাইটেড, পছন্দও করছে। তখন মনে হয়েছে ভালোই হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ‘রইদ’ সিনেমায় পাগলী চরিত্রে কাজ করার সময় গ্রামের মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল, যা চরিত্রটিকে আরও জীবন্ত করে তুলতে সাহায্য করেছে।
“গ্রামের মানুষদের কাছ থেকে অনেক গান শুনতাম। শুটিংয়ের সময় চরিত্র হয়ে নিজেও গুনগুন করতাম। পরে টিমের সবাই মিলে ভাবল গানটা পারফর্ম করা যায়,” বলেন তিনি।
অভিনেত্রীর মতে, প্রথমে দ্বিধা থাকলেও সহকর্মীদের উৎসাহই তাকে সাহস দিয়েছে। তার কথায়, “বন্ধুরা সবাই বলল, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, মজা হবে। তখনই সিদ্ধান্ত নিই।”
এই অভিজ্ঞতাকে তিনি পুরোপুরি আনন্দের বলেও উল্লেখ করেন। তুষি বলেন, “পুরোটাই মজার স্মৃতি। পাগলী চরিত্রে আমি সত্যিই পাগলামিই করেছি। এখন দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে ভালো লাগছে।”
তিনি আরও জানান, গ্রামে শুটিংয়ের সময় স্থানীয়দের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্ক এখনও তাকে হাসায়। অনেকেই এখনো তাকে চরিত্রের নামেই চিনে থাকেন বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন