পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের পদপ্রার্থী মোসাঃ হালিমা শিকদার এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়েই তিনি সামনে এগিয়ে যেতে চান। এলাকার পিছিয়ে পড়া নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি। দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি।
সংরক্ষিত আসনের এই পদপ্রার্থী আরও বলেন, এটি শুধু একটি পদ নয়, বরং নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। স্থানীয় সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
ঈদুল আযহার তাৎপর্য তুলে ধরে হালিমা শিকদার বলেন, এই উৎসব ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা দেয়। সমাজের সবাইকে কোরবানির এই চেতনা ধারণ করে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা তার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা জানান, তিনি এলাকার মানুষের সমস্যার কথা বোঝেন এবং ভবিষ্যতে ভালো ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করেন। অন্য একজন বাসিন্দাও তার দোয়া প্রার্থনা ও ঈদ শুভেচ্ছাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, তার সক্রিয়তা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা এলাকায় নারী উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনতে পারে।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের পদপ্রার্থী মোসাঃ হালিমা শিকদার এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়েই তিনি সামনে এগিয়ে যেতে চান। এলাকার পিছিয়ে পড়া নারী ও শিশুদের কল্যাণে কাজ করাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে জানান তিনি। দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি।
সংরক্ষিত আসনের এই পদপ্রার্থী আরও বলেন, এটি শুধু একটি পদ নয়, বরং নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। স্থানীয় সমস্যা সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
ঈদুল আযহার তাৎপর্য তুলে ধরে হালিমা শিকদার বলেন, এই উৎসব ত্যাগ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা দেয়। সমাজের সবাইকে কোরবানির এই চেতনা ধারণ করে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা তার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা জানান, তিনি এলাকার মানুষের সমস্যার কথা বোঝেন এবং ভবিষ্যতে ভালো ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করেন। অন্য একজন বাসিন্দাও তার দোয়া প্রার্থনা ও ঈদ শুভেচ্ছাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, তার সক্রিয়তা ও সামাজিক সম্পৃক্ততা এলাকায় নারী উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনতে পারে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন