নদীপথের নাব্যতা ফেরাতে বড় প্রকল্প, ১৬১ জলযান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

নদীপথের নাব্যতা ফেরাতে বড় প্রকল্প, ১৬১ জলযান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
প্রিন্ট

দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের নাব্যতা রক্ষা এবং নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে প্রায় আট হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়াতে ৩৫টি ড্রেজার ও ১২৬টি সহায়ক জলযান সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিবেদনে চলমান প্রকল্পটির অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম সংগ্রহ ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মুহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নতুন ড্রেজার ও সহায়ক জলযান যুক্ত হলে নৌপথ সচল রাখা এবং পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমানোর সুযোগ বাড়বে।

বাংলাদেশের নদীপথে পলি জমে নাব্যতা কমে যাওয়ায় অনেক এলাকায় ফেরি, লঞ্চ ও পণ্যবাহী নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট ও নদীবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে আট হাজার কিলোমিটার নৌপথের সব খননকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে—এমন তথ্য নেই। প্রকল্পের অর্থব্যয়, সরঞ্জাম সংগ্রহ, পরিবেশগত প্রভাব এবং বাস্তব অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। 

শেয়ার করুন-