দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথের নাব্যতা রক্ষা এবং নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে প্রায় আট হাজার কিলোমিটার নৌপথ খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়াতে ৩৫টি ড্রেজার ও ১২৬টি সহায়ক জলযান সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিবেদনে চলমান প্রকল্পটির অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম সংগ্রহ ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান মুহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নতুন ড্রেজার ও সহায়ক জলযান যুক্ত হলে নৌপথ সচল রাখা এবং পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমানোর সুযোগ বাড়বে।
বাংলাদেশের নদীপথে পলি জমে নাব্যতা কমে যাওয়ায় অনেক এলাকায় ফেরি, লঞ্চ ও পণ্যবাহী নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট ও নদীবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে আট হাজার কিলোমিটার নৌপথের সব খননকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে—এমন তথ্য নেই। প্রকল্পের অর্থব্যয়, সরঞ্জাম সংগ্রহ, পরিবেশগত প্রভাব এবং বাস্তব অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
