প্রাকৃতিক দূর্যোগ

দীঘিনালায় তৃতীয় দফায় বন্যা, পানিবন্দি শতাধিক পরিবার। দীঘিনালা-মাইনী-লংগদু সড়কে পানি, যান চলাচল বন্ধ নৌকায় পারাপার, আটকা শত শত গাড়ি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। চলতি আগস্ট মাসে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বন্যার কবলে পড়েছে উপজেলাটি। বারবার বন্যায় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, মাছের পুকুর ও পোলট্রি খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনেক মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে উপজেলায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাতভর ভারী বর্ষণের পর পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের পা

পাঁচ দিনেও ত্রাণ মেলেনি, ঘরহারা মানুষের ঠাঁই অন্যের বাড়িতে
নিজের ঘর আছে, কিন্তু সেখানে ফেরার উপায় নেই। কারও ঘর ভেঙে গেছে, কারও ঘরে রেখে যাওয়া স্মৃতি আর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেড়ে নিয়েছে পাহাড়ি ঢল। পাঁচ দিনের বেশি সময় ধরে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালার জামতলী এলাকার অনেক বন্যাদুর্গত মানুষ। তাদের অভিযোগ, এতদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সরকারি ত্রাণ বা প্রয়োজনীয় সহায়তা তাদের হাতে পৌঁছায়নি।এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নবনির্বাচিত খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্

গ্যাসের তীব্র সংকটে নারায়ণগঞ্জ: থমকে গেছে চাকা, নিভেছে গৃহস্থালির চুলা
নারায়ণগঞ্জ জুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাসসংকট। আবাসিক এলাকা থেকে শুরু করে সিএনজি ফিলিং স্টেশন—সবখানেই হাহাকার। গ্যাসের চাপ (প্রেসার) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, গণপরিবহন ও জরুরি সেবার চালকেরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত গ্যাস, অন্যদিকে বাসা-বাড়িতে সময়মতো চুলা না জ্বলায় ব্যাহত হচ্ছে গৃহস্থালির স্বাভাবিক কাজকর্ম।রোববার নারায়ণগঞ্জের লিংক রোড, ফতুল্লার শিবু মার্কেট ও সস্তাপুর এলাকার সিএনজি স্টেশনগুলোতে গিয়ে দেখা যায় শত শত যানবাহনের দী


