আন্তর্জাতিক

দুই সপ্তাহ পর রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু, সতর্কতা বহাল রয়েছে এখন

⎙ প্রিন্ট
দুই সপ্তাহ পর রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু, সতর্কতা বহাল রয়েছে এখন
প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রবিবার, ২৫ অক্টোবর থেকে ফ্লাইট পরিচালনা পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলার পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রবিবার থেকে এক নম্বর টার্মিনাল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং দুই নম্বর টার্মিনাল সৌদি জাতীয় বিমান সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য ব্যবহার করা হবে। রবিবার দুপুরে প্রকাশিত এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডারে সকালে রিয়াদ থেকে জেদ্দার উদ্দেশে একটি উড়োজাহাজ ছেড়ে যাওয়ার তথ্য দেখা গেছে। ফলে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে বাস্তব অগ্রগতির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
তবে বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার ঘোষণা সত্ত্বেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে—এমন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। হুথি গোষ্ঠীর একজন মুখপাত্র বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছেন। অন্যদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর আগে নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১৪৪টি ফ্লাইট ব্যাহত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। এতে ২২ হাজার ২১ জন যাত্রী প্রভাবিত হয়েছেন বলে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর আগে ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল।
রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট পুনরায় চালুর ফলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে বিমানবন্দর চালু হওয়া এবং নির্দিষ্ট বিমান সংস্থার স্থগিত ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়া আলাদা বিষয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে যাঁদের রিয়াদগামী ফ্লাইট নির্ধারিত রয়েছে, তাঁদের জন্য সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার নতুন ঘোষণা গুরুত্বপূর্ণ। এখন পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পূর্বঘোষিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও যাত্রীদের ভ্রমণের আগে নিজ নিজ বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে বুকিং ও ফ্লাইটের অবস্থা নিশ্চিত করতে বলেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে ফ্লাইটসূচি ও টার্মিনাল ব্যবহারের নির্দেশনাও পরিবর্তিত হতে পারে। 

সম্পর্কিত সংবাদ