কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার ২৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে আটটার দিকে তিনি পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে যান। হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতি, রোগীদের সেবার মান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। বিকেল ২টা ৪২ মিনিটে জাগোনিউজ এবং ২টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা পোস্ট এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরিদর্শনকালে ৫১ জন চিকিৎসকের মধ্যে ১২ জনকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। তাঁদের মধ্যে সাতজন অন্যত্র সংযুক্তিতে রয়েছেন এবং পাঁচজন দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত বলে জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনুপস্থিত পাঁচ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অন্যত্র সংযুক্ত সাত চিকিৎসককে নিজ কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা, ১০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন এবং মা ও নবজাতকের জন্য পৃথক শয্যার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যও তুলে ধরেন তিনি। তবে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ চূড়ান্ত শাস্তি নয় এবং হাসপাতাল সম্প্রসারণের ঘোষণাও নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রমাণ নয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য, প্রশাসনিক তদন্ত এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি পরবর্তী সময়ে যাচাই করা প্রয়োজন।
মুরাদনগর হাসপাতালে ১৫১ শয্যা ও ১০ ডায়ালাইসিস মেশিনের পরিকল্পনা








