টানা কয়েক দিনের শ্রমিক আন্দোলনের পর গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অধিকাংশ পোশাক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর সকাল থেকে টঙ্গী, বাসন, কোনাবাড়ী ও শ্রীপুর এলাকার শ্রমিকেরা কর্মস্থলে যোগ দেন। ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে ত্রিপক্ষীয় মজুরি কমিশন গঠনের সরকারি সিদ্ধান্তের পর শ্রমিকদের কাজে ফেরার এই অগ্রগতি দেখা যায়। কারখানা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রায় সব কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। তবে সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত গাজীপুর জেলার কোথাও নতুন করে শ্রমিক বিক্ষোভ বা বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা-টঙ্গী, ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক ছিল। শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বিজিবির ১২ প্লাটুন, এসআরবির আট প্লাটুন, আনসারের পাঁচ প্লাটুন এবং পুলিশ ও শিল্প পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পুরো কার্যক্রম তদারকিতে ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে রয়েছেন বলে জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানানো হয়েছে।
ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবিতে শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চার দিন শ্রমিকেরা আন্দোলন করেন। আন্দোলন চলাকালে কিছু কারখানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। মঙ্গলবার গাজীপুরের ৩৫টি শ্রমিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত শ্রমিক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের নেতারা শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান। তবে কারখানায় উৎপাদন শুরু হওয়া মানেই শ্রমিকদের সব দাবি নিষ্পত্তি হয়েছে, এমন নয়। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত, শ্রমিকদের বেতন কাঠামো এবং শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

শেয়ার করুন-
সংশ্লিষ্ট

গলাচিপায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২' সিরিজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার, যুক্ত উপজেলা প্রশাসন।

তাড়াশে কমছে ‘প্রকৃতির ঝাড়ুদার’ কাক, বাড়ছে পরিবেশের বিপর্যয় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

জমির শ্রেণি নিয়ে কারসাজির অভিযোগ, নওগাঁয় সরকার হারাতে পারে ১০ কোটি টাকা
























































