মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, সরকার অপরাধমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে এবং হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকাকে যেকোনো মূল্যে অপরাধমুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) হাটহাজারী পৌরসভা প্রাঙ্গণে অতিদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর স্পষ্ট বার্তা হলো— অপরাধীর কোনো দল নেই। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কর্মকাণ্ডে কেউ জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
নিজ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাটহাজারীর মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা রয়েছে। গত ১৭ বছর ধরে তারা অন্যায়, দুর্নীতি ও দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কেউ অপরাধে জড়ালে সাধারণ মানুষের তুলনায় তাদের বিরুদ্ধে আইন ১০ গুণ কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানানো হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, কোনো তদবির না শুনে অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কেউ অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করলে তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, সরকার অপরাধমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে এবং হাটহাজারী ও বায়েজিদ এলাকাকে যেকোনো মূল্যে অপরাধমুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) হাটহাজারী পৌরসভা প্রাঙ্গণে অতিদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর স্পষ্ট বার্তা হলো— অপরাধীর কোনো দল নেই। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কর্মকাণ্ডে কেউ জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
নিজ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাটহাজারীর মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা রয়েছে। গত ১৭ বছর ধরে তারা অন্যায়, দুর্নীতি ও দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন এবং মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কেউ অপরাধে জড়ালে সাধারণ মানুষের তুলনায় তাদের বিরুদ্ধে আইন ১০ গুণ কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানানো হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, কোনো তদবির না শুনে অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কেউ অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করলে তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন