শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্যের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৩ মে ২০২৬) গোসাইরহাট বাজারে পরিচালিত এ অভিযানে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রয়ের অপরাধে ২টি বেকারি, ১টি মুদি দোকান এবং ১টি ফলের দোকানকে জরিমানা আরোপ করে তা আদায় করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন শরীয়তপুরের জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুব্রত ভট্টাচার্য্য এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউস। এসময় র্যাব-৮ এর একটি চৌকস টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
অভিযানকালে দেখা যায়, কয়েকটি বেকারিতে অনিবন্ধিতভাবে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী টেক্সটাইল ডাই, নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের ব্যবহারও পরিলক্ষিত হয়।
মুদি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য মজুদ ও বিক্রির পাশাপাশি খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী রং মিশ্রিত চিপস এবং অনুপযোগী কেওড়া জল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। অপরদিকে ফলের দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও ভোক্তা অধিকার পরিপন্থী এসব কার্যক্রমের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সংশোধন না হলে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলায় ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্যের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৩ মে ২০২৬) গোসাইরহাট বাজারে পরিচালিত এ অভিযানে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রয়ের অপরাধে ২টি বেকারি, ১টি মুদি দোকান এবং ১টি ফলের দোকানকে জরিমানা আরোপ করে তা আদায় করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন শরীয়তপুরের জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুব্রত ভট্টাচার্য্য এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউস। এসময় র্যাব-৮ এর একটি চৌকস টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
অভিযানকালে দেখা যায়, কয়েকটি বেকারিতে অনিবন্ধিতভাবে পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী টেক্সটাইল ডাই, নিষিদ্ধ হাইড্রোজ ব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের ব্যবহারও পরিলক্ষিত হয়।
মুদি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য মজুদ ও বিক্রির পাশাপাশি খাদ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী রং মিশ্রিত চিপস এবং অনুপযোগী কেওড়া জল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। অপরদিকে ফলের দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও ভোক্তা অধিকার পরিপন্থী এসব কার্যক্রমের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সংশোধন না হলে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন