গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নে জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত আনিসুর রহমান (৪২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার নাকাই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তার মৃত্যুর পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১টার দিকে নাকাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক ও তার ভাই আব্দুল মজিদ গংদের জমির পাশের শাহ আলম গংদের জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য স্থানীয় এক সার্ভেয়ার জমি মাপামাপি করছিলেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি হিরো মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং একটি বাজাজ ডিসকাভার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত আনিসুর রহমানকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১৩ মে) ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।
আনিসুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি তার ভাগিনা মিজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক-এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) রশীদুল বারী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নে জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় গুরুতর আহত আনিসুর রহমান (৪২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার নাকাই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তার মৃত্যুর পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১টার দিকে নাকাই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক ও তার ভাই আব্দুল মজিদ গংদের জমির পাশের শাহ আলম গংদের জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য স্থানীয় এক সার্ভেয়ার জমি মাপামাপি করছিলেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি হিরো মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং একটি বাজাজ ডিসকাভার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত আনিসুর রহমানকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১৩ মে) ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।
আনিসুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়টি তার ভাগিনা মিজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক-এর নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) রশীদুল বারী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সংঘর্ষে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন