দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে হিমসেলস বা হাম রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে, কারণ প্রতিদিন গড়ে ছয়টি শিশু এই সংক্রামক রোগে প্রাণ হারাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শিশুদের মধ্যে জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছিল, ফলে রোগের তীব্রতা আরও বেড়েছে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা না নেওয়া, জনসচেতনতার অভাব এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবায় দেরি হওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের বস্তি এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা, জ্বর বা ফুসকুড়ির উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া এবং শিশুদের পুষ্টির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়লেও, সঠিক চিকিৎসা ও সময়মতো পদক্ষেপ নিলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠেছে, নইলে হিমসেলস আরও বড় জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে হিমসেলস বা হাম রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে, কারণ প্রতিদিন গড়ে ছয়টি শিশু এই সংক্রামক রোগে প্রাণ হারাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে শিশুদের মধ্যে জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছিল, ফলে রোগের তীব্রতা আরও বেড়েছে এবং মৃত্যুঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা না নেওয়া, জনসচেতনতার অভাব এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবায় দেরি হওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রাম ও শহরের বস্তি এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা, জ্বর বা ফুসকুড়ির উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া এবং শিশুদের পুষ্টির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বাড়লেও, সঠিক চিকিৎসা ও সময়মতো পদক্ষেপ নিলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠেছে, নইলে হিমসেলস আরও বড় জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন