ফরিদপুর জেলায় হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সকাল ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে ৩৯ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪৭ জনে। যদিও এই সময়ে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন এবং ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে এই দুই হাসপাতালে মোট ৭০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সালথা উপজেলায় সর্বোচ্চ ২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। এছাড়া বোয়ালমারীতে ১০ জন, ভাঙ্গায় ৮ জন, সদরপুরে ৭ জন, ফরিদপুর সদরে ৫ জন, চরভদ্রাসনে ৪ জন, মধুখালীতে ৩ জন এবং নগরকান্দায় ২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জন আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে।
চলতি বছরে জেলায় এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে। তবে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা স্বস্তির দিক হিসেবে দেখছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৫ জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১১ জনসহ মোট ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ নিয়ে দুই হাসপাতাল থেকে মোট ৩০১ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। তারা অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি জ্বর, ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর জেলায় হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সকাল ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে ৩৯ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এর ফলে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪৭ জনে। যদিও এই সময়ে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন এবং ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে এই দুই হাসপাতালে মোট ৭০ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সালথা উপজেলায় সর্বোচ্চ ২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। এছাড়া বোয়ালমারীতে ১০ জন, ভাঙ্গায় ৮ জন, সদরপুরে ৭ জন, ফরিদপুর সদরে ৫ জন, চরভদ্রাসনে ৪ জন, মধুখালীতে ৩ জন এবং নগরকান্দায় ২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট ১২ জন আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে।
চলতি বছরে জেলায় এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে। তবে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা স্বস্তির দিক হিসেবে দেখছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৫ জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১১ জনসহ মোট ১৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ নিয়ে দুই হাসপাতাল থেকে মোট ৩০১ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। তারা অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি জ্বর, ফুসকুড়ি বা অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন