ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ভাঙ্গায় তীব্র জ্বালানি সংকট, চরম ভোগান্তিতে যানবাহন চালক ও পুলিশ



ভাঙ্গায় তীব্র জ্বালানি সংকট, চরম ভোগান্তিতে যানবাহন চালক ও পুলিশ
ছবি : প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ চালক, পরিবহন শ্রমিক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে পারছে না। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। এতে দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন চালকরা।

স্থানীয় মোটরসাইকেল চালকরা জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে জরুরি কাজে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা পরিবহন খাতেও বিরাজ করছে। জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক যানবাহন সময়মতো চলাচল করতে পারছে না, যার প্রভাব পড়ছে যাত্রীসেবায়ও।

অন্যদিকে, পুলিশের যানবাহনেও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় তেল না পাওয়ায় টহল ও জরুরি দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, ডিপো থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিক্রি করছেন। জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ঘাটতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কোথাও কৃত্রিম সংকট বা মজুদদারির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


ভাঙ্গায় তীব্র জ্বালানি সংকট, চরম ভোগান্তিতে যানবাহন চালক ও পুলিশ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ চালক, পরিবহন শ্রমিক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে পারছে না। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের ক্ষেত্রে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বেশি পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে না। এতে দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন চালকরা।

স্থানীয় মোটরসাইকেল চালকরা জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে জরুরি কাজে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা পরিবহন খাতেও বিরাজ করছে। জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক যানবাহন সময়মতো চলাচল করতে পারছে না, যার প্রভাব পড়ছে যাত্রীসেবায়ও।

অন্যদিকে, পুলিশের যানবাহনেও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় তেল না পাওয়ায় টহল ও জরুরি দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, ডিপো থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি বিক্রি করছেন। জেলার বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ঘাটতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। কোথাও কৃত্রিম সংকট বা মজুদদারির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ