চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী (৩৫)–এর মরদেহ কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার সকালে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এক ফুটপাত থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে ওঠেন বুলেট বৈরাগী। রাত প্রায় ২টা ২৫ মিনিটে তিনি পরিবারের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেন। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। সন্দেহজনক নিখোঁজের ঘটনায় তার বাবা স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোটবাড়ি এলাকার মহাসড়কের পাশে একটি ফুটপাতে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯–এ ফোন দেন। খবর পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবার এসে মরদেহ শনাক্ত করে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার কর্মকর্তারা জানান, মরদেহে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন নেই, তবে মুখে রক্তাক্ত দাগ ছিল। নিহতের মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি, যা বিষয়টিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহসহ প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।
নিহত বুলেট বৈরাগী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রামে ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ নেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট নয়, তবে সব দিক মাথায় রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে, আকস্মিক ও রহস্যজনক এই মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার, সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশের তদন্ত অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে ঘটনার রহস্য উদঘাটন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী (৩৫)–এর মরদেহ কুমিল্লা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার সকালে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এক ফুটপাত থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে ওঠেন বুলেট বৈরাগী। রাত প্রায় ২টা ২৫ মিনিটে তিনি পরিবারের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেন। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে। সন্দেহজনক নিখোঁজের ঘটনায় তার বাবা স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোটবাড়ি এলাকার মহাসড়কের পাশে একটি ফুটপাতে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯–এ ফোন দেন। খবর পেয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবার এসে মরদেহ শনাক্ত করে।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার কর্মকর্তারা জানান, মরদেহে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন নেই, তবে মুখে রক্তাক্ত দাগ ছিল। নিহতের মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি, যা বিষয়টিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহসহ প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে।
নিহত বুলেট বৈরাগী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রামে ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ নেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে এই দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট নয়, তবে সব দিক মাথায় রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে, আকস্মিক ও রহস্যজনক এই মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার, সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশের তদন্ত অগ্রগতির ওপরই নির্ভর করছে ঘটনার রহস্য উদঘাটন।

আপনার মতামত লিখুন