ঢাকা    মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

অভিমানে ঘর ছাড়ে কিশোর, নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি পেয়ে ৭ লাখ টাকা দাবি করল চক্র


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

অভিমানে ঘর ছাড়ে কিশোর, নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি পেয়ে ৭ লাখ টাকা দাবি করল চক্র

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ঘর ছেড়ে যাওয়া কিশোর মুহিন (১৫) নিখোঁজ হওয়ার পর একটি চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। পরিবার তাকে খুঁজে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে এবং পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সন্ধানে একটি নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মুহিন মূলত গ্যারেজে কাজ করত এবং ১৯ এপ্রিল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ার কিছুদিন পরই অজ্ঞাত একটি মোবাইল নম্বর থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি প্রতারক চক্র। তারা নিজেদের অপহরণকারী দাবি করে এবং কিশোরটিকে মুক্তি দিতে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এমনকি পরিবারের ভয় আরও বাড়াতে ফোনে কিশোরের কণ্ঠস্বর শোনানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিবার প্রথমে বিষয়টি অপহরণ হিসেবে ধরে নেয় এবং চরম উদ্বেগে পড়ে যায়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে পরে জানা যায়, কিশোর মুহিন আসলে স্বেচ্ছায় অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল এবং বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে চট্টগ্রাম নগরের রেলস্টেশন এলাকার একটি কুলিং কর্নারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর কিশোরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় প্রতারণা চক্রকে শনাক্ত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং মোবাইল নম্বরগুলো ট্র্যাক করে জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করার পর সেটি অনেক সময় অপরাধীরা অপব্যবহার করতে পারে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতিতে আরও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


অভিমানে ঘর ছাড়ে কিশোর, নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি পেয়ে ৭ লাখ টাকা দাবি করল চক্র

প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ঘর ছেড়ে যাওয়া কিশোর মুহিন (১৫) নিখোঁজ হওয়ার পর একটি চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। পরিবার তাকে খুঁজে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে এবং পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সন্ধানে একটি নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। মুহিন মূলত গ্যারেজে কাজ করত এবং ১৯ এপ্রিল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে পড়ার কিছুদিন পরই অজ্ঞাত একটি মোবাইল নম্বর থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি প্রতারক চক্র। তারা নিজেদের অপহরণকারী দাবি করে এবং কিশোরটিকে মুক্তি দিতে ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এমনকি পরিবারের ভয় আরও বাড়াতে ফোনে কিশোরের কণ্ঠস্বর শোনানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিবার প্রথমে বিষয়টি অপহরণ হিসেবে ধরে নেয় এবং চরম উদ্বেগে পড়ে যায়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে পরে জানা যায়, কিশোর মুহিন আসলে স্বেচ্ছায় অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল এবং বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে চট্টগ্রাম নগরের রেলস্টেশন এলাকার একটি কুলিং কর্নারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের পর কিশোরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় প্রতারণা চক্রকে শনাক্ত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং মোবাইল নম্বরগুলো ট্র্যাক করে জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করার পর সেটি অনেক সময় অপরাধীরা অপব্যবহার করতে পারে। তাই এ ধরনের পরিস্থিতিতে আরও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ