ঢাকা    শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নিহত ভেবে শোক, কারাগারে জীবিত সন্তানের খোঁজ পেল ফিলিস্তিনি পরিবার


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬

নিহত ভেবে শোক, কারাগারে জীবিত সন্তানের খোঁজ পেল ফিলিস্তিনি পরিবার

গাজা উপত্যকায় ১৮ মাস ধরে নিখোঁজ থাকা এক তরুণকে মৃত ভেবে শোক পালন করা পরিবারের কাছে হঠাৎই আসে জীবিত থাকার খবর। পরে জানা যায়, ২৫ বছর বয়সী ঈদ নায়েল আবু শার গাজায় নিহত না হয়ে ইসরায়েলের ওফার কারাগারে বন্দি আছেন।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর কাজের সন্ধানে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ঈদ নায়েল। এরপর দীর্ঘ সময় তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারটি হাসপাতাল, মর্গসহ বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালায়। কোনো তথ্য না পাওয়ায় তারা তাকে মৃত ধরে নেয় এবং শোক পালনের আয়োজনও করে।

পরবর্তীতে এক আইনজীবীর ফোন কলে পরিবারটি জানতে পারে, ঈদ জীবিত এবং বন্দি অবস্থায় আছেন। এ খবরে দীর্ঘ দেড় বছরের শোক ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুরু থেকেই মা মাহা আবু শার বিশ্বাস করতেন তার ছেলে বেঁচে আছেন। পরে এক মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দির মাধ্যমে কারাগারে তার অবস্থানের বিষয়ে আংশিক তথ্য পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে নিশ্চিত হয়।

ঘটনাটি গাজার চলমান সংকট ও নিখোঁজ ফিলিস্তিনিদের বাস্তবতাকে আবারও সামনে এনেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হাজারো ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে ‘অনিশ্চিত ক্ষতি’ বা স্থগিত শোক হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে জীবিত না মৃত—এই অনিশ্চয়তার মধ্যে মানসিকভাবে আটকে থাকে।

বর্তমানে ঈদ নায়েলের পরিবার তাকে জীবিত জানলেও তার বন্দিদশা ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


নিহত ভেবে শোক, কারাগারে জীবিত সন্তানের খোঁজ পেল ফিলিস্তিনি পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

গাজা উপত্যকায় ১৮ মাস ধরে নিখোঁজ থাকা এক তরুণকে মৃত ভেবে শোক পালন করা পরিবারের কাছে হঠাৎই আসে জীবিত থাকার খবর। পরে জানা যায়, ২৫ বছর বয়সী ঈদ নায়েল আবু শার গাজায় নিহত না হয়ে ইসরায়েলের ওফার কারাগারে বন্দি আছেন।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর কাজের সন্ধানে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ঈদ নায়েল। এরপর দীর্ঘ সময় তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারটি হাসপাতাল, মর্গসহ বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালায়। কোনো তথ্য না পাওয়ায় তারা তাকে মৃত ধরে নেয় এবং শোক পালনের আয়োজনও করে।

পরবর্তীতে এক আইনজীবীর ফোন কলে পরিবারটি জানতে পারে, ঈদ জীবিত এবং বন্দি অবস্থায় আছেন। এ খবরে দীর্ঘ দেড় বছরের শোক ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুরু থেকেই মা মাহা আবু শার বিশ্বাস করতেন তার ছেলে বেঁচে আছেন। পরে এক মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দির মাধ্যমে কারাগারে তার অবস্থানের বিষয়ে আংশিক তথ্য পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে নিশ্চিত হয়।

ঘটনাটি গাজার চলমান সংকট ও নিখোঁজ ফিলিস্তিনিদের বাস্তবতাকে আবারও সামনে এনেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হাজারো ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিকে ‘অনিশ্চিত ক্ষতি’ বা স্থগিত শোক হিসেবে বর্ণনা করছেন, যেখানে পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে জীবিত না মৃত—এই অনিশ্চয়তার মধ্যে মানসিকভাবে আটকে থাকে।

বর্তমানে ঈদ নায়েলের পরিবার তাকে জীবিত জানলেও তার বন্দিদশা ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ