ওমান উপসাগরে ‘ওশান কয়ি’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, জাহাজটি ইরানের তেল রপ্তানি ব্যাহত ও জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছিল।
ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নৌবাহিনীর রেঞ্জার ও মেরিন ইউনিট অভিযান চালিয়ে ট্যাংকারটি আটক করে দক্ষিণ উপকূলে নিয়ে যায়। আইআরএনএ প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের আঞ্চলিক জলসীমায় ইরানের স্বার্থ ও সম্পদ কঠোরভাবে রক্ষা করা হবে এবং কোনো ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ট্যাংকারে ইরানি বাহিনীর ওঠার ও আটক প্রক্রিয়ার ভিডিও সম্প্রচার করা হয়। মেরিন ট্র্যাকার-এর তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি বার্বাডোজে নিবন্ধিত।
আল জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সারদার জানান, হরমুজ প্রণালিতে এর আগেও অন্তত তিনটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরান। তার মতে, এসব ঘটনা আঞ্চলিক সামুদ্রিক নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তিনি বলেন, যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতিতে ইরান কৌশলগত সমুদ্রপথকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখছে। এর অংশ হিসেবে নতুন একটি সামুদ্রিক ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি চলছে। প্রস্তাবিত কাঠামোর নাম ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’, যা হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী সব জাহাজকে ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। জাহাজগুলোর উৎপত্তি, পণ্য ও গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে এবং যাচাইয়ের পর টোল ফি নির্ধারণ করা হবে।
ইরানি পক্ষের দাবি, এ পদক্ষেপ সার্বভৌমত্বের অংশ এবং কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে। তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবে না।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ওমান উপসাগরে ‘ওশান কয়ি’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, জাহাজটি ইরানের তেল রপ্তানি ব্যাহত ও জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছিল।
ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নৌবাহিনীর রেঞ্জার ও মেরিন ইউনিট অভিযান চালিয়ে ট্যাংকারটি আটক করে দক্ষিণ উপকূলে নিয়ে যায়। আইআরএনএ প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের আঞ্চলিক জলসীমায় ইরানের স্বার্থ ও সম্পদ কঠোরভাবে রক্ষা করা হবে এবং কোনো ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ট্যাংকারে ইরানি বাহিনীর ওঠার ও আটক প্রক্রিয়ার ভিডিও সম্প্রচার করা হয়। মেরিন ট্র্যাকার-এর তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি বার্বাডোজে নিবন্ধিত।
আল জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সারদার জানান, হরমুজ প্রণালিতে এর আগেও অন্তত তিনটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরান। তার মতে, এসব ঘটনা আঞ্চলিক সামুদ্রিক নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তিনি বলেন, যুদ্ধপরবর্তী পরিস্থিতিতে ইরান কৌশলগত সমুদ্রপথকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখছে। এর অংশ হিসেবে নতুন একটি সামুদ্রিক ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি চলছে। প্রস্তাবিত কাঠামোর নাম ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’, যা হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী সব জাহাজকে ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। জাহাজগুলোর উৎপত্তি, পণ্য ও গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে এবং যাচাইয়ের পর টোল ফি নির্ধারণ করা হবে।
ইরানি পক্ষের দাবি, এ পদক্ষেপ সার্বভৌমত্বের অংশ এবং কৌশলগত জলপথের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে। তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবে না।

আপনার মতামত লিখুন