ভারত সরকার নতুন প্রতিরক্ষা প্রধান ও নৌবাহিনী প্রধান নিয়োগ দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানি দেশের পরবর্তী প্রতিরক্ষা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন, আর ভাইস অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথন হবেন নতুন নৌবাহিনী প্রধান। আগামী ৩০ ও ৩১ মে বর্তমান প্রধানদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সেনাবাহিনীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এন এস রাজা সুব্রামানি ১৯৮৫ সালে গড়ওয়াল রাইফেলসে কমিশন পান। ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি থেকে যাত্রা শুরু করা এই কর্মকর্তা পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ব্র্যাকনেল ও দিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজসহ একাধিক উচ্চতর সামরিক ও শিক্ষাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর এবং মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। ৩৫ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন—পার্বত্য ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর, সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিব শাখায় সহকারী সামরিক সচিব, পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে কর্নেল জেনারেল স্টাফ (অপারেশন), এবং জম্মু-কাশ্মীরে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ব্রিগেডিয়ার ও জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়ে একাধিক ব্রিগেড ও কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। ২০২৩ সালে তিনি কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান হন এবং পরে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পর তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেন। তার সেবার স্বীকৃতিতে তিনি একাধিক সামরিক পদকে ভূষিত হয়েছেন। অন্যদিকে নতুন নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথন ১৯৮৭ সালে নৌবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। তিনি ভারত ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তার দীর্ঘ নৌজীবনে তিনি একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে আইএনএস বিদ্যুৎ, আইএনএস বিনাশ, আইএনএস কুলিশ, আইএনএস মহীশূর এবং আইএনএস বিক্রমাদিত্য উল্লেখযোগ্য। তিনি দক্ষিণ নৌ কমান্ড, পশ্চিম নৌবহরসহ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন। নৌ প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্র প্রতিরক্ষা কৌশল উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরে তিনি নৌবাহিনীর উপপ্রধান এবং দিল্লিতে জনবল ব্যবস্থাপনা প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। নতুন নিয়োগের মাধ্যমে ভারতের সামরিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে, যা মাসের শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ভারত সরকার নতুন প্রতিরক্ষা প্রধান ও নৌবাহিনী প্রধান নিয়োগ দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন এস রাজা সুব্রামানি দেশের পরবর্তী প্রতিরক্ষা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন, আর ভাইস অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথন হবেন নতুন নৌবাহিনী প্রধান। আগামী ৩০ ও ৩১ মে বর্তমান প্রধানদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সেনাবাহিনীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এন এস রাজা সুব্রামানি ১৯৮৫ সালে গড়ওয়াল রাইফেলসে কমিশন পান। ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি থেকে যাত্রা শুরু করা এই কর্মকর্তা পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ব্র্যাকনেল ও দিল্লির ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজসহ একাধিক উচ্চতর সামরিক ও শিক্ষাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর এবং মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। ৩৫ বছরের বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন—পার্বত্য ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর, সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিব শাখায় সহকারী সামরিক সচিব, পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে কর্নেল জেনারেল স্টাফ (অপারেশন), এবং জম্মু-কাশ্মীরে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ব্রিগেডিয়ার ও জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়ে একাধিক ব্রিগেড ও কমান্ডের নেতৃত্ব দেন। ২০২৩ সালে তিনি কেন্দ্রীয় কমান্ডের প্রধান হন এবং পরে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরের পর তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেন। তার সেবার স্বীকৃতিতে তিনি একাধিক সামরিক পদকে ভূষিত হয়েছেন। অন্যদিকে নতুন নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল কৃষ্ণ স্বামীনাথন ১৯৮৭ সালে নৌবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। তিনি ভারত ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তার দীর্ঘ নৌজীবনে তিনি একাধিক যুদ্ধজাহাজ ও বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার মধ্যে আইএনএস বিদ্যুৎ, আইএনএস বিনাশ, আইএনএস কুলিশ, আইএনএস মহীশূর এবং আইএনএস বিক্রমাদিত্য উল্লেখযোগ্য। তিনি দক্ষিণ নৌ কমান্ড, পশ্চিম নৌবহরসহ নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন। নৌ প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্র প্রতিরক্ষা কৌশল উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরে তিনি নৌবাহিনীর উপপ্রধান এবং দিল্লিতে জনবল ব্যবস্থাপনা প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। নতুন নিয়োগের মাধ্যমে ভারতের সামরিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে, যা মাসের শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন