সাভারে বাজার বাস স্ট্যান্ড এলাকার একটি জুতার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি দোকানের মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সোমবার (১১ মে) রাত ১১টার দিকে সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ডের রয়েল মার্কেটের পাশে অবস্থিত সাজ্জাদ পাদুকা মার্কেটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আগুনের খবর ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আগুনে সাতটি দোকান ও দোকানে থাকা কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জুতা এবং অন্যান্য মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার রাত ১১টার দিকে সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন সাজ্জাদ পাদুকা মার্কেটের (অন্ধ মার্কেট সংলগ্ন) একটি দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের ধোঁয়া দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত সাভার ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কিন্তু চামড়া জাতীয় এবং দাহ্য পদার্থের কারনে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকে।
পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়। এসময় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ব্যবসায়ীরা জানান, আসন্ন ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে প্রত্যেক দোকানি তাদের দোকানে নতুন জুতার বিপুল পরিমাণ কালেকশন তুলেছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সাতটি দোকানের কোনো মালামালই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুনে পুড়ে যাওয়া মালামালের আর্থিক মূল্য কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। অধিকাংশ ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋণ ও ধারদেনা করে মালামাল তুলেছিলেন যা এখন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
পুড়ে যাওয়া এক দোকান মালিক জানান, ঈদের বাজারের জন্য সব পুঁজি খাটিয়ে নতুন মাল তুলেছিলাম। চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল। আমি কিছুই করতে পারলাম না।
এখন আমি পথে বসে গেলাম।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঢাকা জোন-০৪ এর উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও সরু রাস্তার কারণে শুরুতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে এবং কাজ শুরু করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত কমিটি কাজ করবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
সাভারে বাজার বাস স্ট্যান্ড এলাকার একটি জুতার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত সাতটি দোকানের মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সোমবার (১১ মে) রাত ১১টার দিকে সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ডের রয়েল মার্কেটের পাশে অবস্থিত সাজ্জাদ পাদুকা মার্কেটে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আগুনের খবর ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে আগুনে সাতটি দোকান ও দোকানে থাকা কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জুতা এবং অন্যান্য মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার রাত ১১টার দিকে সাভার বাজার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন সাজ্জাদ পাদুকা মার্কেটের (অন্ধ মার্কেট সংলগ্ন) একটি দোকান থেকে হঠাৎ আগুনের ধোঁয়া দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত সাভার ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। কিন্তু চামড়া জাতীয় এবং দাহ্য পদার্থের কারনে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকে।
পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের আরো দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়। এসময় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাত ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ব্যবসায়ীরা জানান, আসন্ন ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে প্রত্যেক দোকানি তাদের দোকানে নতুন জুতার বিপুল পরিমাণ কালেকশন তুলেছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সাতটি দোকানের কোনো মালামালই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুনে পুড়ে যাওয়া মালামালের আর্থিক মূল্য কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। অধিকাংশ ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋণ ও ধারদেনা করে মালামাল তুলেছিলেন যা এখন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
পুড়ে যাওয়া এক দোকান মালিক জানান, ঈদের বাজারের জন্য সব পুঁজি খাটিয়ে নতুন মাল তুলেছিলাম। চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল। আমি কিছুই করতে পারলাম না।
এখন আমি পথে বসে গেলাম।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঢাকা জোন-০৪ এর উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও সরু রাস্তার কারণে শুরুতে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে এবং কাজ শুরু করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় আগুন পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণে তদন্ত কমিটি কাজ করবে।

আপনার মতামত লিখুন