ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবারও ঝরে গেল একটি প্রাণ। আজিমনগর–কালামৃধা আঞ্চলিক সড়কের আজিমনগর বাজার এলাকায় দুই অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহ আলম ফকির (৩৫) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। গত ২ মে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় দুটি অটোভ্যান দ্রুত গতিতে বিপরীত দিক থেকে আসছিল। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে শাহ আলম ফকিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েকদিন লড়াই করার পর আজ ৫ মে সকালে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত শাহ আলম ফকির আজিমনগর ইউনিয়নের আজিমনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত রব ফকিরের ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনেও যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অসহায় হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, রাতে বাড়ি ফেরার পথে অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় তার মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষায়, এই সড়কে অটোভ্যানসহ ছোট যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল এবং অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য এক মুহূর্তের ভুলে থেমে যাচ্ছে জীবনের পথচলা, আর শোকের ভারে ভেঙে পড়ছে একেকটি পরিবার।
এই দুর্ঘটনাও রেখে গেল এক গভীর শূন্যতা, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবারও ঝরে গেল একটি প্রাণ। আজিমনগর–কালামৃধা আঞ্চলিক সড়কের আজিমনগর বাজার এলাকায় দুই অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহ আলম ফকির (৩৫) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। গত ২ মে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় দুটি অটোভ্যান দ্রুত গতিতে বিপরীত দিক থেকে আসছিল। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে শাহ আলম ফকিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েকদিন লড়াই করার পর আজ ৫ মে সকালে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহত শাহ আলম ফকির আজিমনগর ইউনিয়নের আজিমনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত রব ফকিরের ছেলে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনেও যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অসহায় হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, রাতে বাড়ি ফেরার পথে অটোভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় তার মৃত্যু হয়।
ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষায়, এই সড়কে অটোভ্যানসহ ছোট যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল এবং অসতর্কতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য এক মুহূর্তের ভুলে থেমে যাচ্ছে জীবনের পথচলা, আর শোকের ভারে ভেঙে পড়ছে একেকটি পরিবার।
এই দুর্ঘটনাও রেখে গেল এক গভীর শূন্যতা, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

আপনার মতামত লিখুন