নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জজ কোর্ট সংলগ্ন পার্কিং এলাকা থেকে চুরি হওয়া একটি প্রাইভেটকার উদ্ধারের সূত্র ধরে একটি সক্রিয় আন্তঃজেলা গাড়ি চোরচক্রের পর্দা ফাঁস করেছে পুলিশ। চুরির ঘটনার মাত্র ৫ দিনের মধ্যে চক্রের মূলহোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া প্রাইভেটকারসহ মোট ৩টি গাড়ি।
শনিবার (২৭ জুন) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী।
পুলিশ জানায়, গত ২২ জুন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টের সামনের পার্কিংয়ে নিজের টয়োটা এক্স করোলা (মডেল-২০০৬) প্রাইভেটকারটি রেখে নাস্তা করতে যান মোহাম্মদ আরিফ নামের এক ব্যক্তি। ফিরে এসে গাড়িটি না পেয়ে তিনি ফতুল্লা মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ফতুল্লা মডেল থানার একটি বিশেষ তদন্ত দল মাঠে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ঘটনার ৫ দিনের মধ্যে চক্রের মূলহোতা মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তাকে (৪৮) ফতুল্লার দেলপাড়া-চিতাশাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের অপর দুই সদস্য মো. মোমিনুর রহমান ওরফে লিটন (৪২) ও আলাউদ্দিনকে (৩৬) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া টয়োটা এক্স করোলা গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। একই সাথে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত ও চোরাই আরও দুটি গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত গাড়িগুলো হলো:
একটি পুরাতন নোয়া মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-৯২৩০)
একটি প্রাইভেটকার (চট্টগ্রাম মেট্রো-ঘ-১-২৮০)
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী জানান: "গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চারটি গাড়ি চুরি ও একটি মাদক মামলাসহ মোট ৫টি মামলা রয়েছে। এই চক্রটি দেশের বিভিন্ন জেলার পার্কিং ও নির্জন এলাকা থেকে গাড়ি চুরি করে নম্বর প্লেট পরিবর্তন করে পাচার করত।
সংবাদ সম্মেলনে এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী স্পষ্ট বার্তায় বলেন, "নারায়ণগঞ্জে কোনো চোরচক্রের ঠাঁই হবে না।" গাড়ি চুরি রোধে জেলার পার্কিং এলাকাগুলোতে সিসিটিভি কাভারেজ বাড়ানো এবং নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কিনা এবং উদ্ধার হওয়া বাকি গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিক কারা, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চিকিৎসাধীন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জজ কোর্ট সংলগ্ন পার্কিং এলাকা থেকে চুরি হওয়া একটি প্রাইভেটকার উদ্ধারের সূত্র ধরে একটি সক্রিয় আন্তঃজেলা গাড়ি চোরচক্রের পর্দা ফাঁস করেছে পুলিশ। চুরির ঘটনার মাত্র ৫ দিনের মধ্যে চক্রের মূলহোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া প্রাইভেটকারসহ মোট ৩টি গাড়ি।
শনিবার (২৭ জুন) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী।
পুলিশ জানায়, গত ২২ জুন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টের সামনের পার্কিংয়ে নিজের টয়োটা এক্স করোলা (মডেল-২০০৬) প্রাইভেটকারটি রেখে নাস্তা করতে যান মোহাম্মদ আরিফ নামের এক ব্যক্তি। ফিরে এসে গাড়িটি না পেয়ে তিনি ফতুল্লা মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ফতুল্লা মডেল থানার একটি বিশেষ তদন্ত দল মাঠে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ঘটনার ৫ দিনের মধ্যে চক্রের মূলহোতা মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তাকে (৪৮) ফতুল্লার দেলপাড়া-চিতাশাল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের অপর দুই সদস্য মো. মোমিনুর রহমান ওরফে লিটন (৪২) ও আলাউদ্দিনকে (৩৬) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া টয়োটা এক্স করোলা গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। একই সাথে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত ও চোরাই আরও দুটি গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত গাড়িগুলো হলো:
একটি পুরাতন নোয়া মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-গ-১৪-৯২৩০)
একটি প্রাইভেটকার (চট্টগ্রাম মেট্রো-ঘ-১-২৮০)
পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী জানান: "গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চারটি গাড়ি চুরি ও একটি মাদক মামলাসহ মোট ৫টি মামলা রয়েছে। এই চক্রটি দেশের বিভিন্ন জেলার পার্কিং ও নির্জন এলাকা থেকে গাড়ি চুরি করে নম্বর প্লেট পরিবর্তন করে পাচার করত।
সংবাদ সম্মেলনে এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী স্পষ্ট বার্তায় বলেন, "নারায়ণগঞ্জে কোনো চোরচক্রের ঠাঁই হবে না।" গাড়ি চুরি রোধে জেলার পার্কিং এলাকাগুলোতে সিসিটিভি কাভারেজ বাড়ানো এবং নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে আর কেউ জড়িত আছে কিনা এবং উদ্ধার হওয়া বাকি গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিক কারা, তা যাচাইয়ের কাজ চলছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চিকিৎসাধীন।

আপনার মতামত লিখুন