রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার কুতুবখালী এলাকায় দীর্ঘদিনের জনভোগান্তির অন্যতম কারণ হয়ে ওঠা বহুল আলোচিত ‘পকেট গেট’ অবশেষে স্থায়ীভাবে বন্ধ করেছে পুলিশ। যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) উদ্যোগে নেওয়া এই পদক্ষেপের ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি যানজট নিরসন হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের চলাচলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ঢালসংলগ্ন এই পকেট গেটটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিভিন্ন বাস ও গণপরিবহনের যাত্রী ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এতে সড়কে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হতো। একই সঙ্গে ব্যস্ত সড়ক পারাপারের সময় অসতর্কতার কারণে ঘটত ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
শুধু যানজট বা দুর্ঘটনাই নয়, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ওই এলাকাকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করত চোর ও ছিনতাইকারী চক্র। যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের লক্ষ্য করে প্রায়ই সংঘটিত হতো ছিনতাই ও পকেটমারের ঘটনা।
কুতুবখালীর এক বাসিন্দা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই পকেট গেটের কারণে আমরা আতঙ্কে থাকতাম। বাস থামিয়ে জ্যাম লেগে থাকত, আর পকেটমার-ছিনতাইকারীদের উপদ্রব তো ছিলই। গেটটি বন্ধ হওয়ার পর এখন অনেক শান্তিতে চলাফেরা করতে পারছি।”
পুলিশ জানায়, টানা সাত দিনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ পকেট গেটটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকেই এলাকার সার্বিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গেটটি বন্ধ হওয়ার পর অবৈধভাবে যাত্রী ওঠানামা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ফ্লাইওভারের ঢাল ও মূল সড়কে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে অপরাধীদের কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ কমে যাওয়ায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে যানজট কমে যাওয়ায় প্রতিদিন হাজারো যাত্রীর যাতায়াত এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে এবং যানজট নিরসনে এ ধরনের অভিযান ও শৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ীসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, জনস্বার্থে নেওয়া এমন কার্যকর পদক্ষেপ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আরও দৃশ্যমান হবে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার কুতুবখালী এলাকায় দীর্ঘদিনের জনভোগান্তির অন্যতম কারণ হয়ে ওঠা বহুল আলোচিত ‘পকেট গেট’ অবশেষে স্থায়ীভাবে বন্ধ করেছে পুলিশ। যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) উদ্যোগে নেওয়া এই পদক্ষেপের ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি যানজট নিরসন হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের চলাচলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের ঢালসংলগ্ন এই পকেট গেটটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিভিন্ন বাস ও গণপরিবহনের যাত্রী ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এতে সড়কে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হতো। একই সঙ্গে ব্যস্ত সড়ক পারাপারের সময় অসতর্কতার কারণে ঘটত ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
শুধু যানজট বা দুর্ঘটনাই নয়, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ওই এলাকাকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করত চোর ও ছিনতাইকারী চক্র। যানজটে আটকে থাকা যাত্রীদের লক্ষ্য করে প্রায়ই সংঘটিত হতো ছিনতাই ও পকেটমারের ঘটনা।
কুতুবখালীর এক বাসিন্দা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই পকেট গেটের কারণে আমরা আতঙ্কে থাকতাম। বাস থামিয়ে জ্যাম লেগে থাকত, আর পকেটমার-ছিনতাইকারীদের উপদ্রব তো ছিলই। গেটটি বন্ধ হওয়ার পর এখন অনেক শান্তিতে চলাফেরা করতে পারছি।”
পুলিশ জানায়, টানা সাত দিনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ পকেট গেটটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকেই এলাকার সার্বিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গেটটি বন্ধ হওয়ার পর অবৈধভাবে যাত্রী ওঠানামা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে ফ্লাইওভারের ঢাল ও মূল সড়কে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে অপরাধীদের কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ কমে যাওয়ায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে যানজট কমে যাওয়ায় প্রতিদিন হাজারো যাত্রীর যাতায়াত এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বার্থে, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে এবং যানজট নিরসনে এ ধরনের অভিযান ও শৃঙ্খলা রক্ষার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পুলিশের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ীসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ। তাদের প্রত্যাশা, জনস্বার্থে নেওয়া এমন কার্যকর পদক্ষেপ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আরও দৃশ্যমান হবে।

আপনার মতামত লিখুন