মাত্র কয়েক দিনেই বিশ্বকাপ যেন পরিণত হয়েছে রেকর্ড ভাঙার মঞ্চে। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন এবং আর্লিং হালান্ডের মতো তারকারা মাঠে নেমেই নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন গোল ও নতুন মাইলফলকের মাধ্যমে। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ সামনে রেখে এখন আলোচনায় নতুন নতুন ইতিহাসের সম্ভাবনা।
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড ছিল জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার। এবার সেই রেকর্ডে পৌঁছে গেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। মাত্র ২৭ ম্যাচে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। সামনে আরও ম্যাচ থাকায় নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ তার হাতেই।
অন্যদিকে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ১৪ গোল নিয়ে রেকর্ডের খুব কাছাকাছি। তার গতি ধরে রাখলে শীর্ষে পৌঁছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে জিতিয়ে হ্যারি কেইন ছুঁয়ে ফেলেছেন গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড। একই সঙ্গে তিনটি বিশ্বকাপে গোল করা ইংলিশদের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
এবারের আসরে গোল্ডেন বুট নিয়ে লড়াই জমে উঠেছে। মেসি, ডেনিস উন্দাভ ও জনাথন ডেভিড তিন গোল করে এগিয়ে থাকলেও হালান্ড, এমবাপ্পে ও কেইন খুব বেশি পিছিয়ে নেই। প্রতিটি ম্যাচেই পাল্টে যাচ্ছে সমীকরণ।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করার বিরল রেকর্ড আগেই গড়েছেন। এবার সুযোগ এসেছে টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করার ইতিহাস গড়ার। পাশাপাশি ৪১ বছর বয়সে বিশ্বকাপ ম্যাচ শুরু করে সবচেয়ে বয়সী আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবেও নাম লিখিয়েছেন তিনি।
আর্লিং হালান্ড প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে নরওয়েকে শক্ত বার্তা দিয়েছেন। এক ম্যাচেই তিনি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন।
কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া অভিষেক ম্যাচেই সাতটি সেভ করে নজর কাড়েন। ৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক ক্লিন শিটধারী গোলরক্ষক হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জয়ের কোচ হওয়ার দৌড়ে আছেন। আর একটি জয় পেলেই তিনি রেকর্ডে ভাগ বসাবেন।
এবারের আসরে শুরুতেই লাল কার্ডের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কয়েকটি ম্যাচেই ইতোমধ্যে একাধিক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে, যা আগের আসরগুলোর তুলনায় বেশি।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
মাত্র কয়েক দিনেই বিশ্বকাপ যেন পরিণত হয়েছে রেকর্ড ভাঙার মঞ্চে। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন এবং আর্লিং হালান্ডের মতো তারকারা মাঠে নেমেই নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন গোল ও নতুন মাইলফলকের মাধ্যমে। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ সামনে রেখে এখন আলোচনায় নতুন নতুন ইতিহাসের সম্ভাবনা।
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড ছিল জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার। এবার সেই রেকর্ডে পৌঁছে গেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। মাত্র ২৭ ম্যাচে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। সামনে আরও ম্যাচ থাকায় নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ তার হাতেই।
অন্যদিকে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ১৪ গোল নিয়ে রেকর্ডের খুব কাছাকাছি। তার গতি ধরে রাখলে শীর্ষে পৌঁছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে জিতিয়ে হ্যারি কেইন ছুঁয়ে ফেলেছেন গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড। একই সঙ্গে তিনটি বিশ্বকাপে গোল করা ইংলিশদের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
এবারের আসরে গোল্ডেন বুট নিয়ে লড়াই জমে উঠেছে। মেসি, ডেনিস উন্দাভ ও জনাথন ডেভিড তিন গোল করে এগিয়ে থাকলেও হালান্ড, এমবাপ্পে ও কেইন খুব বেশি পিছিয়ে নেই। প্রতিটি ম্যাচেই পাল্টে যাচ্ছে সমীকরণ।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পাঁচটি বিশ্বকাপে গোল করার বিরল রেকর্ড আগেই গড়েছেন। এবার সুযোগ এসেছে টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করার ইতিহাস গড়ার। পাশাপাশি ৪১ বছর বয়সে বিশ্বকাপ ম্যাচ শুরু করে সবচেয়ে বয়সী আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবেও নাম লিখিয়েছেন তিনি।
আর্লিং হালান্ড প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে নরওয়েকে শক্ত বার্তা দিয়েছেন। এক ম্যাচেই তিনি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন।
কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া অভিষেক ম্যাচেই সাতটি সেভ করে নজর কাড়েন। ৪০ বছর বয়সে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক ক্লিন শিটধারী গোলরক্ষক হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জয়ের কোচ হওয়ার দৌড়ে আছেন। আর একটি জয় পেলেই তিনি রেকর্ডে ভাগ বসাবেন।
এবারের আসরে শুরুতেই লাল কার্ডের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। কয়েকটি ম্যাচেই ইতোমধ্যে একাধিক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে, যা আগের আসরগুলোর তুলনায় বেশি।

আপনার মতামত লিখুন