গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় মনিয়া আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সুলতান দিঘিরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মনিয়া আক্তার ওই গ্রামের কেয়া আলম শেখের মেয়ে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে অভিমান করে ভোররাতের কোনো এক সময় নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন মনিয়া। পরে তার মা ঘরে গিয়ে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্বজনরা ছুটে এসে মরদেহ নিচে নামান।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় মনিয়া আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সুলতান দিঘিরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মনিয়া আক্তার ওই গ্রামের কেয়া আলম শেখের মেয়ে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে অভিমান করে ভোররাতের কোনো এক সময় নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন মনিয়া। পরে তার মা ঘরে গিয়ে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্বজনরা ছুটে এসে মরদেহ নিচে নামান।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
মুকসুদপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন