ম্যাচের দিন সকালে আড়াই বছরের ছেলের একটি কথাই যেন বাস্তবে রূপ নিল। ছোট্ট ছেলে বাবাকে বলেছিল, ‘একটা বা দুইটা গোল করবে।’ রাতে মাঠে নেমে ঠিক দুটি গোল করেই বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে বড় ভূমিকা রাখলেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মন।
ম্যাচ শেষে তপু জানান, এই অর্জন তিনি উৎসর্গ করতে চান স্ত্রী, সন্তান এবং দেশের ফুটবলপ্রেমী সমর্থকদের। তার মতে, ফুটবল মূলত দর্শকদের খেলা এবং গ্যালারিতে সমর্থকদের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের বাড়তি শক্তি জোগায়। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলতে তার ভালো লাগে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পারিবারিক সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরে তপু বলেন, স্ত্রী ও সন্তান সবসময় তাকে মানসিক শক্তি ও সাহস জুগিয়ে আসছেন। ম্যাচের আগে ছেলের বলা কথাটি তাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। পরিবারের বিশ্বাস ও সমর্থনই তার সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।
ফিফা প্রীতি ম্যাচে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের প্রথম জয়। এমন ঐতিহাসিক সাফল্যে দেশের মানুষ, সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তপু।
তার মতে, এই জয় প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশের ফুটবল দল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করার সামর্থ্য রাখে। ইউরোপীয় দলের বিপক্ষেও জয় পাওয়া সম্ভব—সেটিই মাঠে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ।
প্রথমবার ইউরোপের মাটিতে খেললেও নিজেদের কখনো অতিথি মনে হয়নি বলেও জানান তপু বর্মন। তার ভাষায়, সান মারিনোর মাঠকে জাতীয় স্টেডিয়ামের মতোই মনে হয়েছে। গ্যালারিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সমর্থকের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের ঘরের মাঠে খেলার অনুভূতি দিয়েছে। এ জন্য তিনি সকল সমর্থকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ম্যাচের দিন সকালে আড়াই বছরের ছেলের একটি কথাই যেন বাস্তবে রূপ নিল। ছোট্ট ছেলে বাবাকে বলেছিল, ‘একটা বা দুইটা গোল করবে।’ রাতে মাঠে নেমে ঠিক দুটি গোল করেই বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে বড় ভূমিকা রাখলেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মন।
ম্যাচ শেষে তপু জানান, এই অর্জন তিনি উৎসর্গ করতে চান স্ত্রী, সন্তান এবং দেশের ফুটবলপ্রেমী সমর্থকদের। তার মতে, ফুটবল মূলত দর্শকদের খেলা এবং গ্যালারিতে সমর্থকদের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের বাড়তি শক্তি জোগায়। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলতে তার ভালো লাগে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পারিবারিক সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরে তপু বলেন, স্ত্রী ও সন্তান সবসময় তাকে মানসিক শক্তি ও সাহস জুগিয়ে আসছেন। ম্যাচের আগে ছেলের বলা কথাটি তাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। পরিবারের বিশ্বাস ও সমর্থনই তার সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।
ফিফা প্রীতি ম্যাচে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের প্রথম জয়। এমন ঐতিহাসিক সাফল্যে দেশের মানুষ, সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তপু।
তার মতে, এই জয় প্রমাণ করেছে যে বাংলাদেশের ফুটবল দল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়াই করার সামর্থ্য রাখে। ইউরোপীয় দলের বিপক্ষেও জয় পাওয়া সম্ভব—সেটিই মাঠে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ।
প্রথমবার ইউরোপের মাটিতে খেললেও নিজেদের কখনো অতিথি মনে হয়নি বলেও জানান তপু বর্মন। তার ভাষায়, সান মারিনোর মাঠকে জাতীয় স্টেডিয়ামের মতোই মনে হয়েছে। গ্যালারিতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সমর্থকের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের ঘরের মাঠে খেলার অনুভূতি দিয়েছে। এ জন্য তিনি সকল সমর্থকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন