ছামিনা আক্তার শাম্মি হত্যা মামলায় গ্রেফতার স্বামী সোহানুর রহমান সুজনের দ্রুতবিচার আইনে বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন শেখ শফিয়ার রহমান মডেল একাডেমির শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত যশোর শহরের মুজিব সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় ‘শাম্মির খুনির ফাঁসি চাই’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ছামিনা আক্তার শাম্মি শেখ শফিয়ার রহমান মডেল একাডেমির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে তারা শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। তাই সহপাঠীর ন্যায়বিচারের দাবিতে তারা রাজপথে নেমেছেন। দ্রুতবিচার আইনে বিচার সম্পন্ন না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিমিয়া ইসলাম তৃপ্তি বলেন, “শাম্মি আপু আমাদের সিনিয়র ছিলেন। তিনি খুবই মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। সুজন প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাকে বিয়ে করে মাত্র চার মাসের মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
একই শ্রেণির শিক্ষার্থী লায়লা ইসলাম শান্তা বলেন, “শাম্মি আপুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে পরে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এমন নিষ্ঠুর হত্যার বিচার হিসেবে আমরা খুনির ফাঁসি দাবি করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”
আরেক শিক্ষার্থী সিজান মাহমুদ বলেন, “এ ধরনের নৃশংস হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে এমন অপরাধ বাড়তেই থাকবে। তাই আমরা খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”
উল্লেখ্য, গত ৮ জুন ভোরে যশোরের শেখহাটি তমালতলা এলাকায় নেশার টাকার বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সোহানুর রহমান সুজন ছামিনা আক্তার শাম্মিকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সুজন নিজেও নিজের শরীরে আঘাত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন যশোর সদর উপজেলার তরফ নওয়াপাড়া এলাকার শফিয়ার রহমানের মেয়ে ছামিনা আক্তার শাম্মি (২০) এবং টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা শান্তিনগর এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সোহানুর রহমান সুজন। পরিবারের দাবি, সুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে গত ১১ জুন যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পালের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সুজন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
ছামিনা আক্তার শাম্মি হত্যা মামলায় গ্রেফতার স্বামী সোহানুর রহমান সুজনের দ্রুতবিচার আইনে বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন শেখ শফিয়ার রহমান মডেল একাডেমির শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত যশোর শহরের মুজিব সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় ‘শাম্মির খুনির ফাঁসি চাই’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ছামিনা আক্তার শাম্মি শেখ শফিয়ার রহমান মডেল একাডেমির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে তারা শোকাহত ও ক্ষুব্ধ। তাই সহপাঠীর ন্যায়বিচারের দাবিতে তারা রাজপথে নেমেছেন। দ্রুতবিচার আইনে বিচার সম্পন্ন না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিমিয়া ইসলাম তৃপ্তি বলেন, “শাম্মি আপু আমাদের সিনিয়র ছিলেন। তিনি খুবই মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। সুজন প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তাকে বিয়ে করে মাত্র চার মাসের মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
একই শ্রেণির শিক্ষার্থী লায়লা ইসলাম শান্তা বলেন, “শাম্মি আপুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে পরে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এমন নিষ্ঠুর হত্যার বিচার হিসেবে আমরা খুনির ফাঁসি দাবি করছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”
আরেক শিক্ষার্থী সিজান মাহমুদ বলেন, “এ ধরনের নৃশংস হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে এমন অপরাধ বাড়তেই থাকবে। তাই আমরা খুনির সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”
উল্লেখ্য, গত ৮ জুন ভোরে যশোরের শেখহাটি তমালতলা এলাকায় নেশার টাকার বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সোহানুর রহমান সুজন ছামিনা আক্তার শাম্মিকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে সুজন নিজেও নিজের শরীরে আঘাত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন যশোর সদর উপজেলার তরফ নওয়াপাড়া এলাকার শফিয়ার রহমানের মেয়ে ছামিনা আক্তার শাম্মি (২০) এবং টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা শান্তিনগর এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সোহানুর রহমান সুজন। পরিবারের দাবি, সুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে গত ১১ জুন যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পালের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সুজন।

আপনার মতামত লিখুন