সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা থানায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আলোচনায় এসেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) মো. সাইফুল ইসলাম খান।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি রায়গঞ্জ, সলঙ্গা ও সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করে আসছেন। নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক, চুরি, ছিনতাই ও জুয়ার মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের মতে, তিনি একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে শোনা এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কারণে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, কিশোর অপরাধ ও গ্যাং কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলমান রয়েছে। গত ২ জুনের অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনার পর দ্রুত মামলা নেওয়া হয়েছে এবং গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা তাঁর পেশাদারিত্ব ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশংসা করেছেন।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এস.আর

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন রায়গঞ্জ ও সলঙ্গা থানায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আলোচনায় এসেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) মো. সাইফুল ইসলাম খান।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি রায়গঞ্জ, সলঙ্গা ও সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করে আসছেন। নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে এলাকায় কিশোর গ্যাং, মাদক, চুরি, ছিনতাই ও জুয়ার মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের মতে, তিনি একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সাধারণ মানুষের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে শোনা এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার কারণে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, কিশোর অপরাধ ও গ্যাং কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও অভিযান চলমান রয়েছে। গত ২ জুনের অপহরণ ও চাঁদাবাজির ঘটনার পর দ্রুত মামলা নেওয়া হয়েছে এবং গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা তাঁর পেশাদারিত্ব ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রশংসা করেছেন।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন