কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় মাংস কাটার জন্য ব্যবহৃত কাঠের খাইট্টার (কাঠের পাটাতন) বাজারে দেখা দিয়েছে বাড়তি চাহিদা। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে স্থানীয় কাঠবাজার ও অস্থায়ী দোকানগুলো।
কসাই ও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে কোরবানির পশু জবাইয়ের পর মাংস প্রক্রিয়াকরণে এই খাইট্টা একটি অপরিহার্য উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে গরুর মাংস কাটার সময় শক্ত ও নির্ভরযোগ্য কাঠের পাটাতনের প্রয়োজন হয়, যা না থাকলে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বিক্রেতারা বলছেন, সারা বছর কসাইখানায় এর ব্যবহার থাকলেও ঈদুল আজহার সময় চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অনেক পরিবারই নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী খাইট্টা কিনে রাখেন, যাতে কোরবানির দিন মাংস কাটার কাজ সহজ হয়।
তেঁতুল গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি খাইট্টার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ব্যবসায়ীদের ভাষায়, এই কাঠে চাপাতির কোপে সহজে গুঁড়া ওঠে না, ফলে মাংস নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে। এজন্য বেশিরভাগ খাইট্টাই তৈরি করা হয় পুরনো ও শক্ত তেঁতুল গাছের গুঁড়ি কেটে।
কটিয়াদীর বাজারগুলোতে বিভিন্ন আকারের এসব খাইট্টা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ১০০০ টাকার মধ্যে। ক্রেতারা প্রয়োজন ও মাপ অনুযায়ী দরদাম করে কিনছেন।
চড়িয়াকোনা কাঠবাজারের একাধিক বিক্রেতা জানান, শেষ মুহূর্তে বিক্রি আরও বেড়ে যাবে। এখনই প্রতিদিনই ক্রেতার চাপ বাড়ছে, আর ঈদের আগের দিনগুলোতে এই বিক্রি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
স্থানীয় ক্রেতারাও বলছেন, কোরবানির মাংস সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণের জন্য মানসম্মত খাইট্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই আগে থেকেই এসব কিনে রাখছেন অনেকে।
ঈদকে কেন্দ্র করে এমন মৌসুমি ব্যবসা কটিয়াদীসহ পুরো কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য এনে দিয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় মাংস কাটার জন্য ব্যবহৃত কাঠের খাইট্টার (কাঠের পাটাতন) বাজারে দেখা দিয়েছে বাড়তি চাহিদা। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে স্থানীয় কাঠবাজার ও অস্থায়ী দোকানগুলো।
কসাই ও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে কোরবানির পশু জবাইয়ের পর মাংস প্রক্রিয়াকরণে এই খাইট্টা একটি অপরিহার্য উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে গরুর মাংস কাটার সময় শক্ত ও নির্ভরযোগ্য কাঠের পাটাতনের প্রয়োজন হয়, যা না থাকলে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বিক্রেতারা বলছেন, সারা বছর কসাইখানায় এর ব্যবহার থাকলেও ঈদুল আজহার সময় চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অনেক পরিবারই নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী খাইট্টা কিনে রাখেন, যাতে কোরবানির দিন মাংস কাটার কাজ সহজ হয়।
তেঁতুল গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি খাইট্টার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ব্যবসায়ীদের ভাষায়, এই কাঠে চাপাতির কোপে সহজে গুঁড়া ওঠে না, ফলে মাংস নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে। এজন্য বেশিরভাগ খাইট্টাই তৈরি করা হয় পুরনো ও শক্ত তেঁতুল গাছের গুঁড়ি কেটে।
কটিয়াদীর বাজারগুলোতে বিভিন্ন আকারের এসব খাইট্টা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ১০০০ টাকার মধ্যে। ক্রেতারা প্রয়োজন ও মাপ অনুযায়ী দরদাম করে কিনছেন।
চড়িয়াকোনা কাঠবাজারের একাধিক বিক্রেতা জানান, শেষ মুহূর্তে বিক্রি আরও বেড়ে যাবে। এখনই প্রতিদিনই ক্রেতার চাপ বাড়ছে, আর ঈদের আগের দিনগুলোতে এই বিক্রি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে।
স্থানীয় ক্রেতারাও বলছেন, কোরবানির মাংস সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণের জন্য মানসম্মত খাইট্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই আগে থেকেই এসব কিনে রাখছেন অনেকে।
ঈদকে কেন্দ্র করে এমন মৌসুমি ব্যবসা কটিয়াদীসহ পুরো কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য এনে দিয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন