খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট নিরসনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প ঘিরে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তৈমাতাই ও পিলাক খাল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রায় ভরাট হয়ে পড়ে। প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ তৈমাতাই খাল এবং ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পিলাক খালে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছিল। এতে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় খাল দুটি পুনঃখননের কাজ শুরু হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খাল পুনরুদ্ধার হলে বর্ষায় পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা প্রয়োজনীয় সেচ সুবিধা পাবেন। এতে নতুন জমি চাষের আওতায় আসবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। কৃষকরা আবারও চাষাবাদে আগ্রহী হবেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি শুধু জলাবদ্ধতা নিরসনেই নয়, কৃষি উৎপাদন বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আগামী ২০ মে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে উদ্বোধনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, খাল দুটির দুই পাশে ফলজ, বনজ ও ওষধি গাছ লাগিয়ে সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা হবে। এতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নের সম্ভাবনাও তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট নিরসনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প ঘিরে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার হয়েছে।
উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তৈমাতাই ও পিলাক খাল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রায় ভরাট হয়ে পড়ে। প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ তৈমাতাই খাল এবং ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পিলাক খালে পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছিল। এতে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় খাল দুটি পুনঃখননের কাজ শুরু হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খাল পুনরুদ্ধার হলে বর্ষায় পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা প্রয়োজনীয় সেচ সুবিধা পাবেন। এতে নতুন জমি চাষের আওতায় আসবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে। কৃষকরা আবারও চাষাবাদে আগ্রহী হবেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি শুধু জলাবদ্ধতা নিরসনেই নয়, কৃষি উৎপাদন বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আগামী ২০ মে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। উপজেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে উদ্বোধনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, খাল দুটির দুই পাশে ফলজ, বনজ ও ওষধি গাছ লাগিয়ে সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা হবে। এতে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়নের সম্ভাবনাও তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন